পুঁজিবাজারে ডিএসই’র কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল
ঢাকা: পুঁজিবাজারে ডিএসইর কার্যক্রমে যে ঘাটতি ও ভুল ছিল, তা গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে উঠে এসেছে বলে স্বীকার করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। এসব প্রতিবেদনের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। মঙ্গলবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিনহাজ মান্নান ইমন। […] The post পুঁজিবাজারে ডিএসই’র কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.

ঢাকা: পুঁজিবাজারে ডিএসইর কার্যক্রমে যে ঘাটতি ও ভুল ছিল, তা গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে উঠে এসেছে বলে স্বীকার করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। এসব প্রতিবেদনের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিনহাজ মান্নান ইমন।
ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের উদ্যোগকে পুঁজিবাজারে নতুন একটি সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতদিন ডিএসইর কার্যক্রম নিয়ে যে ঘাটতি ছিল এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতি যে অভিযোগ ছিল, সেখান থেকে উত্তরণের একটি সূচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিএসই কিছুটা দায়মুক্তির পথে এগিয়েছে।
ইমন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত দাবিদার শনাক্ত করা, তাদের পাওনা নির্ধারণ এবং কত টাকা পরিশোধ করতে হবে— এসব কাজ সহজ ছিল না। প্রায় ১৭ হাজার হিসাব যাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও তাদের পাওনা নির্ধারণে ডিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, এখন ডিএসই’র দায়িত্ব হচ্ছে আইনের সীমার মধ্যে থেকে সেই অর্থ পরিশোধ করা। তবে যেসব বিনিয়োগকারীর পাওনা ৫ লাখ টাকার বেশি, তাদের বাকি অর্থ আদায়ের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ডিফল্টার প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যান্য সম্পদ ও সম্পত্তি আইনগত প্রক্রিয়ায় উদ্ধার করে পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইমন বলেন, ভবিষ্যতে ডিএসই থেকে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। বাজার তদারকি ও নজরদারি আরও কঠোর করা হবে।
তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে বাজারের নজরদারি ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ডিএসইর সার্ভেইলেন্স ব্যবস্থা ও সফটওয়্যার হালনাগাদ করা হয়েছে। ব্যাক-অফিস সফটওয়্যারেও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় অনিয়ম করে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ কমেছে এবং নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে।
ডিএসই পরিচালক বলেন, গত দুই-তিন বছরে বাজারের কাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও নজরদারির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পরিবর্তন এসেছে। ফলে আগের মতো সহজে অনিয়ম করার সুযোগ নেই।
গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের কারণে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ঘাটতি, ভুল ও অনিয়ম সামনে এসেছে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডিএসই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।
ইমন বলেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, সেগুলো বাজারের দুর্বল জায়গাগুলো শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে। এ কারণে সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের বিষয়ে তিনি আগের কমিশনের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আগের কমিশন মূল অর্থের একটি অংশ পরিশোধের বিষয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, বর্তমান উদ্যোগ তারই ধারাবাহিকতা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটি পুঁজিবাজারে একটি নতুন সূত্রপাত। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ডিএসই’র নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
The post পুঁজিবাজারে ডিএসই’র কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.





