‘জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৪৫০ গাড়ির লংমার্চ কেন’
ঢাকা: জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ১১ দলীয় জোটের রংপুর অভিমুখে লংমার্চে ৪৫০টি গাড়ি ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতা রুহুল কবির রিজভী। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এবং সরকারের ওপর সব দায় চাপিয়ে অপপ্রচার চালানোর অংশ হিসেবেই এই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। […] The post ‘জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৪৫০ গাড়ির লংমার্চ কেন’ first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.

ঢাকা: জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ১১ দলীয় জোটের রংপুর অভিমুখে লংমার্চে ৪৫০টি গাড়ি ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতা রুহুল কবির রিজভী। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এবং সরকারের ওপর সব দায় চাপিয়ে অপপ্রচার চালানোর অংশ হিসেবেই এই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে এই ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থেকে বাস্তবমুখী চিন্তাভাবনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় রিজভী এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
যমুনা সেতুর টোল আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘সাশ্রয়ী হওয়ার বার্তা দিয়ে রাজনীতি করা দলগুলো রংপুরে ৪৫০টি গাড়ির বহর নিয়ে গেছে। এই গাড়িগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করা গেলে তা জাতীয় গ্রিডের তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দিতে পারত।’
বৈশ্বিক সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই পথ দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের অধিকাংশ জাহাজ সরবরাহ করা হয়। বিশ্ববাজারে চড়া দামে ডিজেল কিনে দেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণে ভর্তুকি দিয়ে তুলনামূলক অনেক কম দামে জনগণের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক-অর্থনৈতিক এই বাস্তবতা ও বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীলতা বিবেচনা না করে কেবল সরকারের সমালোচনার খাতিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’
এ ছাড়া দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ ও অতীতে ঘটে যাওয়া সহিংসতার প্রসঙ্গেও তিনি কথা বলেন। বিরোধী দলগুলো যেন মুক্ত পরিবেশে তাদের মতামত ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারে, বর্তমান সরকার তার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো কর্মসূচিতে সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের বাধা দান কিংবা উসকানিমূলক হিংসাত্মক আচরণ করা হচ্ছে না। তবে কর্মসূচির নামে বিভিন্ন জায়গায় বাসে ও ট্রেনে আগুন এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো যে পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সেই নাশকতার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়ে লংমার্চ করার আহ্বান জানান তিনি।
The post ‘জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৪৫০ গাড়ির লংমার্চ কেন’ first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.





