রিটেইল টেক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগ
কর্মীদের সন্তানদের জন্য প্রিয়শপ স্কলারশিপ চালু
- ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন হাবের কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের এককালীন ও নিয়মিত শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
- দেশজুড়ে বিস্তৃত তেতাল্লিশটি লজিস্টিকস হাবের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিবারকে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষা ও মেধার বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত সামাজিক দায়বদ্ধতা
ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ও রিটেইল টেকনোলজি অবকাঠামোকে এগিয়ে নিতে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ‘প্রিয়শপ স্কলারশিপ’ কর্মসূচি চালু করেছে প্রিয়শপ।
১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার এ তথ্য জানা যায়। দেশের অন্যতম বৃহৎ বিটুবি রিটেইল টেকনোলজি ও ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ তাদের বিভিন্ন ডিজিটাল হাবে কর্মরত সহকর্মীদের কৃতী সন্তানদের শিক্ষাজীবনে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, প্রযুক্তিনির্ভর বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সাফল্যের পেছনে শুধু কর্মীরা নন, তাদের পরিবারেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে কর্মীদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গড়ার পথচলা সুগম করতে এ কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এককালীন শিক্ষা অনুদানের পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষা সহায়তা পাবে। সম্প্রতি মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী হাব কর্মীদের সন্তানদের মধ্য থেকে মেধা ও প্রতিকূলতা বিবেচনা করে বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হয়।
স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তি তুলে দেন প্রিয়শপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুল আলম খাঁন এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য এটি ছিল বিশেষ প্রাপ্তি। বর্তমানে সারাদেশে প্রিয়শপের ৪৩টি হাবের মাধ্যমে ডেটা ও টেকনোলজি ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রান্তিক পর্যায়ের হাজারো খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে আশিকুল আলম খাঁন বলেন, "প্রিয়শপের প্রতিটি অর্জনের পেছনে আমাদের সহকর্মীদের পরিশ্রম রয়েছে, আর তাদের পেছনে রয়েছে তাদের পরিবারের সমর্থন। তাই আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দায়িত্ব শুধু কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাদের পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "এই স্কলারশিপ শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, এটি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাক এবং জানুক যে প্রিয়শপ তাদের পাশে রয়েছে।" একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আগামী দিনের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়। বিভিন্ন দফতরের সমন্বয়ে এ শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
//ডিবিটেক/এসিডিপি/এসই/ইআইসি//





