বিদ্যুৎ খাতে শোকের ছায়া
না ফেরার দেশে পাওয়ার গ্রিডের এমডি আবদুর রশিদ খান
- হৃদরোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে মারা যান প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান
- তিনি পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী এনপিসিবিএলের পরিচালনা পর্ষদেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি
দেশের বিদ্যুৎ গ্রিড ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবদুর রশিদ খান মারা গেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) পরিচালক পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে এনপিসিবিএলের পরিচালক পর্ষদ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তাঁকে দেশের বিদ্যুৎ খাতের একজন অভিজ্ঞ প্রকৌশলী, গ্রিড বিশেষজ্ঞ ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন, গ্রিড ব্যবস্থাপনা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এনপিসিবিএলের কার্যক্রমে তাঁর অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে বলে জানানো হয়।
১৯৬৭ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন আবদুর রশিদ খান। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে (ইইই) স্নাতক সম্পন্ন করেন।
১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে ২০০০ সালের ৭ জুন পাওয়ার গ্রিডে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পর প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। এ ছাড়া অসংখ্য সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এনপিসিবিএলের পরিচালক পর্ষদ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। পাওয়ার গ্রিড পরিবারও তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। শোকবার্তায় মহান আল্লাহর কাছে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য প্রার্থনা করা হয়।
//ডিবিটেক/আইএনপিএল/এসএমই/এমআইএসটি//





