আইসিটি বিভাগের এডিপি সভায় এআই-কে সঙ্গী করে এগোনোর নির্দেশ মন্ত্রীর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কর্মসংস্থান হ্রাসের হুমকি নয় বরং নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। আইসিটি বিভাগের এডিপি সভায় এআই ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তিনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি মানুষের জন্য কোনো হুমকি নয়, বরং এটি কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশের কাজের গতি ও সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের জন্য হুমকি নয়। এতে কর্মসংস্থান হারিয়ে যাবে বলে যে শঙ্কা রয়েছে, তা পুরোপুরি ঠিক নয়। এআই নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করবে, একই সাথে মানুষের কাজের দক্ষতা ও পরিপক্বতা বৃদ্ধিতে বড় সহায়কের ভূমিকা পালন করবে।”
রাজধানীর আগারগাঁওস্থ আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে ২৯ জুলাই, বুধবার অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের জুলাই ২০২৬ মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইসিটি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ পর্যালোচনায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তব ও আর্থিক লক্ষ্যমাত্রার ওপর বিষদ আলোচনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকগণ নিজ নিজ প্রকল্পের সাম্প্রতিক চিত্র ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার উপস্থাপনা তুলে ধরেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নে এআই-কে সঙ্গে নিয়ে গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী প্রকল্প কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এআই-কে সাথে নিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। দেশকে আধুনিক ও সমৃদ্ধিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা সম্পদ বা অর্থের কোনো অপচয় যেমন করবো না, তেমনি কাজ না করে অর্থ ফেরতও পাঠাবো না। নাগরিক কল্যাণকে কেন্দ্রে রেখে মনে-প্রাণে ও কাজে প্রমাণ করতে হবে—‘সবার আগে বাংলাদেশ’।”
বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) কাজের অগ্রগতি নিয়ে মাসিক পর্যালোচনা সভায় আইসিটি বিভাগ ও তার অধীনস্থ সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালকগণ এবং অনলাইনে বাস্তবায়িত পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (IMED) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আলোচনা জুড়ে কীভাবে সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে যুক্ত করে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো আরও দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায়, সেই কৌশল প্রাধান্য পায়।
//ডিবিটেক/এসএমআই/ইএমডি//





