মাইক্রোএসডি কার্ড ছাড়াও যেভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাড়াবেন
আধুনিক স্মার্টফোনগুলোতে এখন সর্বনিম্ন ১২৮ জিবি পর্যন্ত ইন্টারনাল স্টোরেজ দেওয়া হলেও, ভারী অ্যাপ, ছবি ও হাই-রেজ্যুলিউশন ভিডিওর কারণে তা দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। আগে এই সমস্যার সমাধান ছিল কেবল একটি সস্তা মাইক্রোএসডি মেমোরি কার্ড কিনে ফোনে লাগিয়ে নেওয়া। তবে বর্তমানে বেশির ভাগ ফ্ল্যাগশিপ ও আধুনিক স্মার্টফোনে মেমোরি কার্ড স্লট রাখা হচ্ছে না। মেমোরি কার্ডের স্লট না থাকলেও খুব সহজে ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর বেশ কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে।
ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধা
মাইক্রোএসডি কার্ডের বিকল্প হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধান হলো ক্লাউড স্টোরেজ। ছবি বা ভিডিওর কারণে ফোনের মেমোরি ভর্তি হয়ে গেলে গুগল ওয়ান বা গুগল ড্রাইভের মতো সেবা ব্যবহার করা যেতে পারে। গুগল অ্যাকাউন্টের সাথে সাধারণত ১৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ পাওয়া যায়। ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিঙ্ক করে রাখলে ফোনের অভ্যন্তরীণ মেমোরি অনেকটাই খালি থাকে। এছাড়া গুগল ড্রাইভের পাশাপাশি তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যের অন্যান্য ক্লাউড সেবার সাবস্ক্রিপশনও নেওয়া যেতে পারে।
এক্সটার্নাল ড্রাইভ বা পেনড্রাইভের ব্যবহার
ক্লাউড সেবার জন্য প্রতি মাসে বা বছরে নির্দিষ্ট ফি দিতে রাজি না থাকলে বাহ্যিক ড্রাইভ ব্যবহার করা যেতে পারে। আধুনিক প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই এখন টাইপ-সি পোর্ট থাকে এবং এগুলো 'ইউএসবি অন-দ্য-গো' বা ওটিজি সুবিধা সমর্থন করে। ফলে কনভার্টার বা ডঙ্গলের সাহায্যে যেকোনো এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ খুব সহজেই ফোনের সাথে যুক্ত করা সম্ভব।
বাজারের নতুন অনেক এক্সটার্নাল এসএসডি সরাসরি টাইপ-সি টু টাইপ-সি ক্যাবল দিয়ে ফোনে কানেক্ট করা যায়। ফোনের বিল্ট-ইন ফাইল ম্যানেজার ব্যবহার করেই দ্রুত গতিতে প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও বড় ফাইল বাইরের ড্রাইভে সরিয়ে ফেলা সম্ভব। এমনকি গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রার মতো উচ্চমানের কিছু ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সরাসরি এসএসডিতেই সরাসরি ৮কে মানের ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধাও রয়েছে।
ডিবিটেক/বিএমটি





