প্রযুক্তি ও পার্টনারশিপে দ্বৈত স্বীকৃতি
ইএসজি অ্যাওয়ার্ডসে দুটি পুরস্কার পেল বাংলালিংক
- ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডসে দুটি পৃথক বিভাগে পুরস্কৃত বাংলালিংক
- নিজস্ব সেলফ-রিটেইলার অ্যাপ 'বাংলালিংক পাওয়ার'-এর জন্য অনন্য সম্মাননা
- মূলধনী বিনিয়োগ ছাড়াই সাধারণ মানুষের আয়ের সুযোগ নিশ্চিত
ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম 'বাংলালিংক পাওয়ার'-এর স্বীকৃতি হিসেবে ‘ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’-এ দুটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা অর্জন করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটিকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।
বাংলালিংক ‘এক্সটার্নাল সাপ্লাই চেইন, কোলাবরেশন অ্যান্ড পার্টনারশিপস’ এবং ‘এক্সিলেন্স ইন ইএসজি টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশন’ শীর্ষক দুটি ক্যাটাগরিতে এই সম্মাননা লাভ করে। চলতি বছরের মার্চে চালু হওয়া অ্যাপটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো ধরনের আগাম বিনিয়োগ ছাড়াই সেলফ-রিটেইলার হিসেবে যুক্ত হয়ে মোবাইল রিচার্জ বিক্রির মাধ্যমে বাড়তি আয় করতে পারছেন। এতে ডিজিটাল কেওয়াইসি (KYC) যাচাই, রিয়েল-টাইম কমিশন ট্র্যাকিং ও ডিজিটাল রিওয়ার্ড ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “দেশজুড়ে সকলের জন্য ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে প্রচলিত খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থাকে বদলে দিচ্ছে বাংলালিংক পাওয়ার। প্ল্যাটফর্মটি কোনো আগাম বিনিয়োগের প্রয়োজন ছাড়াই মানুষের জন্য সহজ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করে, যাতে করে খুচরা বিক্রেতারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে সরাসরি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। আরও বেশি মানুষকে ডিজিটাল রিটেইল ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করতে বাংলালিংক পাওয়ার যে অবদান রেখে চলেছে তা নিয়ে আমরা গর্বিত।”
প্ল্যাটফর্মটি তরুণ, নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দোকান স্থাপন ছাড়াই ডিজিটাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এনেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে বাংলালিংক পাওয়ার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছে।
চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “ডিজিটাল রূপান্তর সত্যিকার অর্থে তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন মানুষ প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হয়। বাংলালিংক পাওয়ার আমাদের ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আয় ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির নতুন পথ তৈরির প্রতিফলন। প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্ব, উভয় বিভাগে স্বীকৃতি পাওয়া ডিজিটাল উদ্ভাবনের সঙ্গে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব তৈরির গুরুত্বকে তুলে ধরে।”
//ডিবিটেক/বিআরপি/এসএমই/এমআইএস//





