বাকৃবিতে বিএইউএটিএইচ-এর ভার্চ্যুয়াল সেশনে সরকারি-বেসরকারি চাকরির দিকনির্দেশনা
কৃষিতে নারী শিক্ষার্থীদের স্নাতক থেকেই পরিকল্পিত ক্যারিয়ার প্রস্তুতির তাগিদ
- বিসিএস ও কৃষি ক্যাডারের প্রস্তুতির পাশাপাশি গবেষণা এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হওয়ার পরামর্শ
- স্মার্ট কৃষি, এগ্রি-টেক ও নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বিকল্প ক্যারিয়ারের সম্ভাবনার ওপর জোর
- কর্মক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা ও উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লাইভ সেশনে অভিজ্ঞতা বিনিময়
কৃষিশিক্ষায় অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের সরকারি-বেসরকারি চাকরি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান, উচ্চতর গবেষণা, শিক্ষকতা এবং সফল উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে স্নাতক পর্যায় থেকেই সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম ‘বিএইউ অ্যাডমিশন টেস্ট হেল্পলাইন’ (বিএইউএটিএইচ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ ভার্চ্যুয়াল সেশনে এ পরামর্শ দেওয়া হয়।
২১ অক্টোবর, বুধবার 'উইমেন ইন অ্যাগ্রিকালচার: ক্যারিয়ার অপরচুনিটিজ অ্যান্ড বিয়ন্ড, গভর্নমেন্ট অ্যান্ড প্রাইভেট সেক্টর ক্যারিয়ার পাথওয়েজ’ শীর্ষক এই লাইভ সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষিতে নারী শিক্ষার্থীদের পেশাগত সম্ভাবনার ক্ষেত্র উন্মোচন, আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সেশনে প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি স্নাতক পর্ব থেকেই বিসিএস, বিশেষ করে বিসিএস কৃষি ক্যাডারের প্রস্তুতি, বিভিন্ন জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু এবং মানসম্মত আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া প্রচলিত চাকরির গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক স্মার্ট কৃষি, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ, বহুমুখী কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং স্বাধীন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।
সেশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বিএইউএটিএইচ-এর প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা মালিহা রহমান বলেন, আয়োজনের প্রশ্নমালাটি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও সময়োপযোগী ছিল। সেশনে চাকরি, গবেষণা, শিক্ষকতা এবং কর্মক্ষেত্রের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় বাস্তবতাই অকপটে উঠে এসেছে। এটি স্নাতক পর্যায়ের নারী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার শুরু থেকেই সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ক্যারিয়ার গড়তে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ফাহমিদা সুলতানা বর্ষা নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, যেকোনো নতুন উদ্যোগেই কিছু সীমাবদ্ধতা ও শেখার সুযোগ থাকে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রথমবার সঞ্চালনা করতে গিয়ে নিজের উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা গেছে, যা ভবিষ্যতে আরও পরিশীলিত ও সমৃদ্ধ সেশন আয়োজনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।
//ডিবিটেক/আরাফাত হোসাইন/এসএমই/এমআইএসটি//





