দেশেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট প্রযুক্তির সূচনা

চলতি বছরের শেষে দেশেই হবে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট

  • চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে টেকসই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট চালু
  • ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে ৩৯ কোটি টাকার আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন
  • দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার অনুদান ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা

চলতি বছরের শেষে দেশেই হবে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২০  

বাংলাদেশে লিভার প্রতিস্থাপনের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতেই দেশে টেকসইভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধির আওতায় উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থায়ী ও টেকসই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট প্রযুক্তি চালুর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩৯ কোটি টাকার প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে পাঁচ ধরনের বায়োমেডিকেল প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে এবং আরও ১০ ধরনের প্রযুক্তি চলতি সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এসে পৌঁছাবে। এসব প্রযুক্তি স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট টিমকে প্রস্তুত করতে আরও প্রায় দুই মাস সময় লাগবে।

নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, লিভার ও কিডনিসহ জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক পরিবার বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখে পড়ে। সরকার চিকিৎসায় মানুষের নিজস্ব পকেট থেকে ব্যয় বা ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’ কমিয়ে আনতে কাজ করছে। একই সঙ্গে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য অনুদান ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। কৌশলগত ক্রয় বা ‘স্ট্র্যাটেজিক পারচেজিং’ এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
//ডিবিটেক/টিডিসিও/এমএসআই/সিএমএস//