১৩৪ ফ্লাইট ব্যাহত, অনিশ্চয়তায় যাত্রীরা

সৌদি আরবে ফ্লাইট বিপর্যয়ে ভোগান্তিতে ২০ হাজার যাত্রী

  • সৌদি আরবের বিমানবন্দরে বিধিনিষেধে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট ১৩৪টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে
  • সরাসরি ৬১টি ও ট্রানজিট রুটের ৭৩টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
  • ফ্লাইট বিপর্যয়ে দুই দেশের ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন

সৌদি আরবে ফ্লাইট বিপর্যয়ে ভোগান্তিতে ২০ হাজার যাত্রী
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০৭  

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনায় কড়াকড়ি ও সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট অন্তত ১৩৪টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি রুটের ৬১টি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে পরিচালিত ট্রানজিট রুটের ৭৩টি ফ্লাইট রয়েছে।

২১ অক্টোবর, বুধবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এখন পর্যন্ত এসব ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। প্রতিষ্ঠানটির ২২টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে। এ ছাড়া সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের (সাউদিয়া) ১৯টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি করে সরাসরি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটেও বড় ধাক্কা

বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে পরিচালিত ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইটের সময়সূচিও ব্যাহত হয়েছে। এসব ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইন্ডিগো। প্রতিষ্ঠানটির ২৮টি ফ্লাইট ব্যাহত হয়েছে।

এ ছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, ওমানভিত্তিক সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিমানবন্দরে অনিশ্চয়তা

হঠাৎ ফ্লাইট বাতিল এবং দফায় দফায় সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবগামী প্রবাসী কর্মী ও দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে পৌঁছে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছেন।

তবে ফ্লাইট বিপর্যয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ, বিধিনিষেধের মেয়াদ এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম কবে ফিরবে—সে বিষয়ে প্রদত্ত তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

//ডিবিটেক/ডিপিবি/এসএমই/এমভিএনও//