শিশু নির্যাতন ও ডিপফেক কনটেন্ট প্রতিরোধে ত্রুটির দায় স্বীকার মেটার, আইনি কড়াকড়ি বৃদ্ধি

ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান জাকারবার্গ

  • শিশুদের যৌন নির্যাতনমূলক ও ডিপফেক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ
  • ভুলবশত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট বন্ধ ও ক্ষতিকর বিজ্ঞাপনের ব্যাখ্যা চেয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  • কড়া তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বেআইনি কনটেন্ট তিন ঘণ্টার মধ্যে সরানোর বিধান কার্যকর করেছে ভারত

ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান জাকারবার্গ
৬ আগষ্ট, ২০২৬ ০০:১০  

মেটা প্ল্যাটফর্মসের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট, ডিপফেক এবং সাইবার পরিচালনাগত ত্রুটির কারণে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। গত মঙ্গলবার ভারতের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেটা নির্বাহীদের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষমা প্রার্থনার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেটার মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম প্ল্যাটফর্মে শিশু নির্যাতন-সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়ায় ভারত সরকার কড়া ব্যাখ্যা তলব করেছিল। জবাবে মেটা তাদের 'জিরো টলারেন্স' নীতির কথা জানালেও সম্প্রতি ফেসবুকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট অ্যালগরিদম ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলে বিতর্ক আরও বাড়ে। এ ছাড়া আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে হায়দরাবাদ পুলিশে মেটা ইন্ডিয়ার প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

ভারতের নতুন ও কঠোর সাইবার আইনি বিধিমালা অনুযায়ী, প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আইনি ছাড় বা সুরক্ষার সুযোগ অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আদালত বা সরকার কর্তৃক চিহ্নিত করা যে কোনো বেআইনি বা সংবেদনশীল ডিজিটাল কনটেন্ট আগের ৩৬ ঘণ্টার পরিবর্তে মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে প্ল্যাটফর্ম থেকে মুছে ফেলতে মেটা সহ সব বিগ-টেক প্রতিষ্ঠান বাধ্য থাকবে। এই নীতি লংঘনে মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা ও আইনি ঝুঁকিতে পড়ার বিধান রাখা হয়েছে।

//ডিবিটেক/ এএস/ এসএমই//