প্রযুক্তি ও ঋণের সুবিধায় নতুন গতি পাচ্ছে ক্ষুদ্র বাজার

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অগ্রগতিতে প্রিয়শপের আধুনিক উদ্যোগ

  • চলতি বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতাকে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে প্রিয়শপ
  • এআই চালিত সাপ্লাই চেইন ও এমবেডেড ফাইন্যান্স ব্যবহারে শক্তিশালী হচ্ছে গ্রামীণ রিটেইল খাত
  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন এবং শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অগ্রগতিতে প্রিয়শপের আধুনিক উদ্যোগ
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩  
২৭ জুলাই, ২০২৬ ০১:১১  

বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত টিকে আছে পাড়ার মোড়ের দোকান, ছোট মুদি দোকান, ফার্মেসি কিংবা চায়ের দোকানগুলোর ওপর। সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের দরকারি জিনিসপত্র সরবরাহকারী এই বিশাল বাজারটি যুগের পর যুগ ধরে সঠিক সময়ে পণ্য না পাওয়া, দামের ওঠানামা এবং প্রয়োজনীয় মূলধন বা বাকির সুবিধার অভাবে নানা সমস্যায় জর্জরিত।

দেশের এমএসএমই খুচরা ব্যবসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে এবং ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ। ২৬ জুলাই, রবিবার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতাকে নামী-দামী ব্র্যান্ড, আধুনিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা, ডিজিটাল পেমেন্ট ও এমবেডেড ফাইন্যান্স সুবিধার সাথে যুক্ত করেছে।

প্রিয়শপ তাদের উন্নত সাপ্লাই চেইন, পরিবেশবান্ধব লজিস্টিকস এবং প্রযুক্তিনির্ভর ডেলিভারি ব্যবস্থার মাধ্যমে খুচরা বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। এআই (AI) ব্যবহারের মাধ্যমে তারা পুরো অর্ডার ও ডেলিভারি প্রক্রিয়াকে সহজ করেছে। ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ফলে নেত্রকোনা, তারাকান্দা, সোনারগাঁও, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এবং গাজীপুরের কালীগঞ্জের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের দোকানদাররাও এখন সহজে সরাসরি কোম্পানির পণ্য পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে প্রিয়শপ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আশিকুল আলম খাঁন বলেন, "আমাদের লক্ষ্য কেবল ব্যবসা করা নয়, বরং তার চেয়ে বড় কিছু। আমরা যেভাবে নতুন নতুন হাব তৈরি করছি এবং প্রযুক্তি পৌঁছে দিচ্ছি, তা মূলত বাংলাদেশের খুচরা খাতের মূল ভিত্তিকেই মজবুত করছে। আমরা এমন এক ভবিষ্যতের সাথে খাপ খাওয়া ব্যবস্থা তৈরি করছি, যেখানে পাড়ার সাধারণ একজন দোকানদারও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা বড় করতে পারবেন, আর ব্র্যান্ডগুলোও সরাসরি তাদের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারবে।"

কোকা-কোলা বাংলাদেশ, গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করে প্রতিষ্ঠানটি মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি পণ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছে। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এটি ‘সেরা রিটেল স্টার্টআপ’ এবং ‘সেরা বিটুবি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম’ পুরস্কার অর্জন করেছে। কর্মীবাহিনীর দক্ষতা বাড়াতে এআই ট্রেনিং ও জাতিসংঘের ডিপিআই উদ্যোগসহ ওয়েব সামিট ও এশেলনের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে প্রিয়শপ।
//ডিবিটেক/ এডিপি/ইএমএস//