এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জামিন নামঞ্জুর, তদন্ত চলবে
যৌতুক মামলায় কারাগারে টিকটকার প্রিন্স মামুন
- যৌতুক ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা
- জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
- তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক রাখার আবেদন
এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি, মারধর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে শুক্রবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের পরিদর্শক (এসআই) মো. ভুলু।
আদালত সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রিন্স মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা রাজধানীর ভাটারা থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ভাটারা থানার এসআই মো. ইয়াউর রহমান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে বাদী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা উল্লেখ করেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রিন্স মামুন ব্যবসা করার জন্য মোহনাকে বাবার বাড়ি থেকে এক কোটি টাকা এনে দিতে চাপ দিতেন। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোহনাদের বাসায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে আবারও এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন প্রিন্স মামুন। এতে রাজি না হলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে তিনি মোহনাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। পাশাপাশি গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় মোহনারের বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম, ডান কান ফুলে যাওয়া এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ মামলার বাদীপক্ষের এজাহারে উত্থাপিত হয়েছে। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান এবং অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
//ডিবিটেক/এসআই/এসএমই//





