ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা মামলায় জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা মামলায় জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান
৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১২  

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার নির্দেশসহ তিনটি অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি ও টেলিকম প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর জোহা।

৩ মার্চ, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্য দেন তিনি।

এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ১০ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে থাকলেও বাকি ৭ জন এখনো পলাতক রয়েছেন।

জুলাই বিপ্লব চলাকালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকার কয়েক দফায় সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ইন্টারনেট শাটডাউনের মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে সারা দেশে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই অপরাধকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করে ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ছিলেন তার আইসিটি উপদেষ্টা। আইসিটি মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে বিশ্বের কাছ থেকে গণহত্যার তথ্য লুকানোর চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে এ মামলায়। এর মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে অন্যতম হলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক। আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যা সংঘটনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তারা।

গণহত্যায় সহায়তার ব্যাপারে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে শলাপরামর্শ করেছেন পলক। তারা নানা ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করেছেন।

ডিবিটেক/টিজেড/ইকে