বিজিপ্রেসের ওয়েবে নতুন সংসদ সদস্য ও গণভোট ফলের গেজেট প্রকাশ

বিজিপ্রেসের ওয়েবে নতুন সংসদ সদস্য ও গণভোট ফলের গেজেট প্রকাশ
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৭:৪০  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও গভভোটের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার গভীর রাতে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সরকারি ফলাফল গেজেট প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট প্রেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর বিশেষ গেজেট শিরোনামে সংসদ সদস্য ও গণভোটের গেজেট দুটির আলাদা ডক্যুমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের ওপর জাতীয় গণভোট। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৯৭ আসনের গেজেট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন।

এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ঢাকা-৮-এর ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেই কমিশনের। সংক্ষুব্ধ কেউ থাকলে ট্রাইব্যুনালে যেতে পারেন। আজকে রাতের মধ্যেই গেজেট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতা ও প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে কিছু আসনে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়। প্রাপ্ত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে ইসি।

নতুন সংসদ সদ্যদের গেজেট দেখকে এখানে ক্লিক করুন

গণভোটের গেজেট

ইসি সচিব জানান, বেসরকারি ফলাফল যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম ও পরিচয় সম্বলিত অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশ। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ইসির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংসদ নির্বাচনে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল ১৪টি আসন পেয়েছে।

গণভোটের ফলে দেখা গেছে, ভোট দিয়েছেন সাত কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন (৬১.০৩%)। এর মধ্যে নানা কারণে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট।

বৈধ ৭ কোটি ২৭ লাখ ২ হাজার ৩৮৬ জনের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন 8 কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন (৬৮.৫৯%)। বাকি ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন (৩১.৪১%) ‘না’ ভোট দিয়েছেন।

জুলাই সনদের অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত ৪৮ দফা বাস্তবায়নে জনগণের সম্মতি নেওয়ার জন্য এই গণভোটের আয়োজন করা হয়।

ডিবিটেক/এসএম/ইকে