নতুন টেলিযোগাযোগ আইন অধিকতর আলোচনার জন্য ফিরিয়ে দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ
ই-জালিয়াতি রোধে আলাদা আইনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
অধিকতর আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুমোদন না দিয়ে ভেটিংয়ের জন্য ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
তবে ই-রেজিস্ট্রেশন বিধান যুক্ত করে রেজিস্ট্রেশন (সংশোধিত) অর্ডিন্যান্স ২০২৫, বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ ২০২৫, ও আইনগত সহায়তা প্রদানের দ্বিতীয় অর্ডিন্যান্স পাশ করা হয়েছে। ১১ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদ সভায় এই তিনটি আইনের অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়াও অনলাইন ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জালিয়াতি বন্ধে কঠোর হতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠক বিষয়ে ব্রিফিংয়ে এই তথ্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গ্র্যানাডাকে দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সরকার মেট্রোরেলের ভ্যাট প্রত্যাহার করেছে বলেও জানান তিনি।
তিনি জানান, বাংলাদেশের কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আসার পরে জালিয়াতি বেড়ে গেছে অনেক। এটা একটা জালিয়াতির সমুদ্র বলা চলে। এত ব্যাপক হারে জালিয়াতি হচ্ছে, বাংলাদেশের সুনাম বিভিন্ন দেশে নষ্ট হচ্ছে। আমাদের দেশের একটা বড় জালিয়াত চক্র, অনেক মানুষকে ঠকাচ্ছে, ঠকিয়ে ভিসাও জালিয়াতি করছে। এর ফলে অনেক দেশে আমাদের নাগরিকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাদের ভিসা প্রসেসে সমস্যা হচ্ছে। জালিয়াতিকে কীভাবে রোধ করা যায়— সেই বিষয়ে আজকে প্রধান উপদেষ্টা সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে এই বিষয়ে একটি আলাদা আইন করা হয়।
প্রেস সচিব বলেন, খুব জরুরি ভিত্তিতে এই আইন করা হবে— যাতে বাংলাদেশে অনলাইনে বা এআই সফটওয়্যার ব্যবহার করে যারা জালিয়াতি করছে, তাদের বিষয়ে সুস্পষ্ট শাস্তি থাকে, যত রকম ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেগুলো যেন আইনে থাকে।
এদিকে 'বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ, ২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদ অধিকতর পর্যবেক্ষণের জন্য ফিরিয়ে দেয়ায় আইনের অধীনে স্বাধীনতা হারানোর শঙ্কা বিটিআরসি- থেকে কলম বিরতির যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো তা আপাতত হচ্ছে না। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীর যে সমালোচনা করছিলো তা কিছু দিনের জন্য স্তিমিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডিবিটেক/অনএ/ইকে







