ইংরেজি ও আইসিটিতে সর্বোচ্চ আবেদন
ওয়েবে এইচএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হলো ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল। এইচএসসি, আলিম ও কারিগরির উচ্চমাধ্যমিক ফলে ফলে নতুন করে এ+ এ উন্নীত হয়েছেন ৭৩৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ জন। এছাড়া ফেল থেকে পাস করেছেন ৩০৮ জন।
১৬ নভেম্বর, রবিবার সকাল ১০টার দিকে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সাক্ষরিত ফলাফল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল রবিবার সকাল ১০টায় বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। ফলাফল ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, আলিম পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলও একই সময়ে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে।
এইচএসসি পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষা ফলাফল:
শিক্ষাবোর্ড–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে সর্বাধিক আবেদন পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বোর্ডে।
বিষয়ভিত্তিকভাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। গত ১৬ অক্টোবর ফল প্রকাশের পরদিন ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাত দিন আবেদন গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পুনঃনিরীক্ষণের প্রতিটি খাতা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবে; পাশাপাশি আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বরে এসএমএসও যাবে।’
বোর্ড সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবার খাতা পুনঃনিরীক্ষণে জমা পড়েছে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন। দেশের ১১ বোর্ডে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, সবচেয়ে কম বরিশাল বোর্ডে।
বিষয়ভিত্তিকভাবে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে আবেদন এসেছে সর্বাধিক। ১৬ অক্টোবর মূল ফল প্রকাশের পর ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাত দিন পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ফি ছিল ১৫০ টাকা।
প্রসঙ্গত, এ বছর সারা দেশের ৯ হাজার ১৯৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন, পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ফেল করেছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৭০১ জন (৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ)। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।
ডিবিটেক/এপি/মুইম



