ফলোআপ: দেশে ফিরে যা বললেন
শহিদুল আলম দেশে ফিরেছেন
ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ১১ অক্টোবর, শনিবার ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান তার শুভাকঙ্ক্ষীরা। এদের মধ্যে প্রযুক্তিবিদ ফাহিম মাশরুরসহ দৃক এর কর্মকর্তারা।
এর আগে, গাজা অভিমুখী ঐতিহাসিক নৌবহরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম ইসরাইলি সেনাদের হাতে ‘অপহৃত’ হওয়ার পর তার মুক্তির দাবিতে সরব হয়ে উঠেছিলো নেটদুনিয়া। আটকের পর তার মোবাইলফোন, ক্যামেরা ও অন্যান্য ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করে ইসরাইলি সেনারা। এরপর তার ফেসবুকটি দুইটি সংগঠন পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। সেখান থেকে তাকে মুক্তি দেয়ার জনমত তৈরি করা হয়।
সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা ও তুরস্ক সরকারের মধ্যস্ততাায় দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এরপর ফের সরব হয়ে উঠে সোশ্যাল হ্যান্ডেল। অনলাইন গুলোকে মুহূর্তে মুহুর্তে দেয়া হয় তার আপডেট। ফেসবুকে ছবি ও আপডেট জানানো হয় প্রধান উপদেষ্টার প্রেসউইং থেকে। সেখানেই প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাতে জানান, শহিদুল আলম এদিন ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।
আবুল কালাম জানান, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে শহিদুল আলম টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে ইসরায়েল থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছান। যেখানে তাকে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাগত জানান। অল্পসময়েই সেই ছবিটি সোশ্যাল হ্যান্ডেল ও অনলাইন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুর রহমান জানিয়েছেন, শহিদুল আলমের ঢাকাগামী ফ্লাইটটি শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ইস্তাম্বুল থেকে ছাড়ার কথা রয়েছে।
শহিদুল আলমের মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এর আগে শহিদুল আলম স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলে পৌঁছান। যেখানে তাকে ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাগত জানান।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ শহিদুল আলমকে আটক করার পরপরই জর্ডান, মিসর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার মুক্তির জন্য তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।







