সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ছায়ানট ভাঙায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে: সংস্কৃতি উপদেষ্টা

সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ছায়ানট ভাঙায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে: সংস্কৃতি উপদেষ্টা
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৮  

ছায়ানট ভবনে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে শনাক্ত করা হচ্ছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

১৯ ডিসেম্বর, শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে তিনি ধানমন্ডির শংকরে অবস্থিত ছায়ানট ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ছায়ানটের সংগঠক পার্থ তানভীর নভেদসহ প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে। ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে যাতে দ্রুত ছায়ানটের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা যায়, সে জন্য আর্থিক সহায়তাসহ সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

তিনি বলেন, ছায়ানট পরিচালনা কমিটি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানাবে বলেও জানিয়েছে।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, এই ভবনের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছায়ানটের বাইরে বিজিবি ও পুলিশ কঠোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি অবশ্যই নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র। আজ আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার কথা ছিল শহীদ ওসমান হাদি। কিন্তু কারা প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও ছায়ানটে হামলা চালিয়ে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দিল—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা এসব করেছে, তারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায় না।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে একটি হঠকারী গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটে হামলা চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কোনো সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধই নয়, এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনারও পরিপন্থী।

ডিবিটেক/বিএন/ইক