আলোয় ফিরেছে ক্যাম্পাস

ঢাবিতে বসছে এআই সিসিক্যাম

  • এলইডি বাতিতে সন্ধ্যার পর আলোকিত ঢাবি ক্যাম্পাস
  • অচল বাতি ও ক্যামেরা সংস্কারের কাজ চলছে
  • এআইভিত্তিক সিসিটিভিতে প্রবেশ-বের হওয়ার নজরদারি

ঢাবিতে বসছে এআই সিসিক্যাম
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:৩১  

সন্ধ্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের সড়কদ্বীপগুলোতে এলইডি বাতি জ্বলায় আগের নিঃস্প্রভ পরিবেশ অনেকটাই বদলে গেছে। শিক্ষার্থী ও পথচারীদের মতে, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক আলোকিত হওয়ায় নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি, ছিনতাই, মাদক সেবন এবং সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমতে পারে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও কার্যকর করতে সড়কবাতির সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, সম্প্রতি সড়কগুলোতে নতুন করে কোনো বাতি স্থাপন করা হয়নি। ক্যাম্পাসের সড়কের পাশের লাইটগুলো প্রশাসনের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, “ক্যাম্পাসের রাস্তার পাশের লাইটগুলো প্রশাসনের কোনো নতুন উদ্যোগ নয়। এটা নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। নতুন করে কোনো লাইট লাগানো হয়নি।”

এদিকে ক্যাম্পাস পরিদর্শনে কয়েকটি সড়কবাতি অচল এবং কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়েছে। এসব বাতি ও ক্যামেরা সংস্কারের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর।

ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ইসরাফিল রতন বলেন, “আমরা ক্যাম্পাসে নতুন ডিজিটাল সিস্টেম ও এআইভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য কাজ করছি। এ বিষয়ে উপাচার্য এবং বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।”

প্রক্টরের ভাষ্য অনুযায়ী, এআইভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হলে ক্যাম্পাসে কে প্রবেশ করছে এবং কে বের হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরায় মানুষের চেহারা আরও স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, “আগে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কারা ঘটিয়েছে, তাদের চেহারা সিসিটিভিতে ভালোভাবে দেখা যেতো না। ফলে অপরাধী শনাক্ত করা কঠিন হতো। এ কারণে উপাচার্যও ক্যাম্পাসে ডিজিটাল এআইভিত্তিক সিসিটিভি ব্যবস্থা স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।”

প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু হলে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধ বা দুর্ঘটনার পর দ্রুত ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
//ডিবিটেক/ডিএইও/এসএমই/এমআইএস//