৬০০ কোটি ডলারের বাজারে আমদানি নির্ভরতা কমাতে নীতি সহায়তার দাবি
রাসায়নিক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের
- ডিসিসিআই মিলনায়তনে রাসায়নিক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ নিয়ে সেমিনার
- কাঁচামাল আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতা দূর করার তাগিদ
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৬২০ কোটি ডলারের রাসায়নিক কাঁচামাল আমদানি করেছে
দেশের রাসায়নিক খাতের অভ্যন্তরীণ বাজার ৬০০ কোটি ডলার অতিক্রম করলেও উচ্চ আমদানি নির্ভরতা, জ্বালানি সংকট ও লজিস্টিক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতায় প্রত্যাশিত গতি পাচ্ছে না এ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাত। এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানি খাতের সুরক্ষায় রাসায়নিক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
শনিবার (২৫ জুলাই) মতিঝিলে ডিসিসিআই মিলনায়তনে ‘রাসায়নিক নির্ভর রপ্তানিমুখী শিল্পে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে সভাপতি হিসেবে এ আহ্বান জানান তিনি। সেমিনারে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও ওষুধ শিল্পের বিশ্বজুড়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা অনেকাংশেই রাসায়নিক পণ্যের সচল ও মসৃণ সাপ্লাইচেইনের ওপর নির্ভর করে। তবে কাঁচামাল আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, দেশের রাসায়নিক পণ্যের বাজার প্রতিবছর ১০-১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে এবং ২০২৫ সালে ৬২০ কোটি ডলারের রাসায়নিক কাঁচামাল আমদানি করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ জানান, শিল্প নীতিমালা সংস্কারের কার্যক্রম চলছে এবং ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী রাসায়নিক খাতের জন্য পৃথক অধ্যায় যুক্ত বা নীতি প্রণয়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দ্বিতীয় সচিব সুরাইয়া সুলতানা জানান, স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে শুল্কহার ক্রমান্বয়ে কমানো হচ্ছে এবং বন্ডেড ওয়ারহাউস প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল ও অনলাইনে চালু করা হয়েছে। সেমিনারে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিএপিআই প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতারা টেকসই কেমিক্যাল ইকো-সিস্টেম গড়ার জোর দাবি জানান।
//ডিবিটেক/ সংবাদ/ সম্পাদনা//





