অনলাইনে চিঠি ও পার্সেল নজরদারিতে ডিএমএস, যুক্ত হলো ১৪ নতুন প্রসেসিং সেন্টার

ডিজিটাল ট্র্যাকিং যুগে ডাকসেবা

ডিজিটাল ট্র্যাকিং যুগে ডাকসেবা
৫ জুন, ২০২৬ ০০:০০  
৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০১  

দেশের ডাকসেবাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর। এখন থেকে নাগরিকরা ঘরে বসেই চিঠি, পার্সেল এবং ই-কমার্স পণ্যের অবস্থান অনলাইনে ট্র্যাক করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সফটওয়্যার (ডিএমএস)। পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় মেইল প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং স্মার্ট ডাকসেবা সম্প্রসারণের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। 

এরইমধ্যে ডাক বিভাগের সব কার্যক্রম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপও প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের জরাজীর্ণ ডাকঘর নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়, দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২৭০টি ডাকঘর নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত কাজ চলছে। এছাড়া ‘ডাক অধিদপ্তরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় আরও ৩৯টি ডাকঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার থার্মাল বক্স সংগ্রহ করা হয়েছে, যা তাপমাত্রা-সংবেদনশীল পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে ডিএমএস প্ল্যাটফর্মকে আরও শক্তিশালী করতে ‘মেইল প্রসেসিং অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের টেকসই সহায়তা’ শীর্ষক নতুন উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, ডাকসেবার ডিজিটাল রূপান্তর, লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের অংশ হিসেবে সারাদেশে ১৪টি নতুন মেইল প্রসেসিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আধুনিক চিলিং চেম্বার সুবিধাও রয়েছে, যা দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পণ্য পরিবহনে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, ডিএমএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন রিয়েল-টাইমে ডাক ও পার্সেলের অবস্থান জানতে পারবেন। এর ফলে সেবার স্বচ্ছতা, গতি এবং নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং, আধুনিক লজিস্টিক অবকাঠামো এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের ডাকসেবা খাত নতুন প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রবেশ করছে।

/ডিবিটেক/বিএসও/ইকে/