দ্রুতগতির ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশে টিম ম্যানেজমেন্ট ও কর্মীদের কার্যকরভাবে মনিটর করার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এসেছে অটোমেটেড টাইম ট্র্যাকিং ও প্রোডাকটিভিটি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ‘
টিমোডেস্ক’ (TimoDesk)। এই অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে প্রকল্পের কাজগুলোকে সহজে ভাগ করে নেওয়া যায়। অফলাইনে কাজের সময়ও সফটওয়্যারটি ডেটা সংগ্রহ করে এবং ইন্টারনেট সংযোগ পেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিঙ্ক করে। প্রতি ব্যবহারকারীর জন্য মাসিক মাত্র ১ ডলারে সব ফিচার ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি লিনাক্স সাপোর্ট যুক্ত হওয়ায় ওপেন-সোর্স ব্যবহারকারীদের কাছেও এটি সহজলভ্য হয়েছে।
এর মাধ্যমে ম্যানুয়াল টাইম ইনপুটের ঝামেলা কমিয়ে প্রোডাকটিভিটি প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে সহায়তা করে বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বলা হচ্ছে, সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মঘণ্টা ট্র্যাক করে। নির্দিষ্ট সময় পরপর স্ক্রিনশট ক্যাপচার, ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন মনিটরিং এবং প্রতিটি টাস্কের বিস্তারিত লগ সংরক্ষণের মাধ্যমে এটি কর্মীদের কার্যক্রমের একটি পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরে। ট্র্যাডিশনাল টাইমারের তুলনায় এর অ্যাকটিভিটি-ভিত্তিক ট্র্যাকিং পদ্ধতি ম্যানুয়াল ভুল কমিয়ে সময় ব্যবস্থাপনাকে আরও নির্ভুল করে তোলে। এর মাধ্যমে অ্যাকটিভিটি লেভেল, অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য, টাইমলাইন ভিউ, প্রজেক্ট ব্রেকডাউন এবং ডেইলি, উইকলি ও মান্থলি সামারি অন্তর্ভুক্ত থাকে। এসব রিপোর্টের মাধ্যমে ম্যানেজাররা সহজেই টিমের দুর্বলতা ও সময় অপচয়ের জায়গাগুলো শনাক্ত করতে পারেন।
ক্যাপটেরা এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ৫১ শতাংশ এইচআর লিডার টাইম ট্র্যাকিংকে টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
‘টিমোডেস্ক’ এর তথ্যমতে, ইতিমধ্যে ৪০ মিলিয়নের বেশি স্ক্রিনশট ক্যাপচার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি প্রজেক্ট মনিটর করা হয়েছে।
ডিবিটেক/এনএইচই/ইকে