যমুনার পর বসুন্ধরা সহ প্রায় সব মোবাইল মার্কেটই খোলা

যমুনার পর বসুন্ধরা সহ প্রায় সব মোবাইল মার্কেটই খোলা
৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২২  

যমুনা ফিউচার পার্কের পর বসুন্ধরা সিটি ও মোতালেব প্লাজাসহ ঢাকার সবগুলো মোবাইল মার্কেটই খুলেছে। তবে চোরাই ও ক্লোন মার্কেট খ্যাত চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন ও তামাকুণ্ড মার্কেট বন্ধ থাকার কথা জানাগেছে।

৭ জানুয়ারি, বুধবার  সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রায় সকল কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স ও মোবাইল মার্কেটগুলোর সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার খবর পাওয়া গেছে।  

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির ডাকা ধর্মঘট উপেক্ষা করে সকাল ১০টার দিকে ‘বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স’-এ ব্র্যান্ডের পাশাপাশি সাধারণ মোবাইল ব্যবসায়ীদেরও তাদের দোকান খুলতে দেখা গেছে। একটি গোষ্ঠীর হুমকির কারণে বসুন্ধরা মার্কেট কর্তৃপক্ষ মোবাইল বিক্রি হয়-এমন দুইটি ফ্লোরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। মার্কেটের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতেও দেখা গেছে।  

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ শেষে বুধবার সকাল থেকে মোতালেব প্লাজার মোবাইল মার্কেটগুলো স্বাভাবিক ভাবে খুলেছে। বেঁচাকেনা স্বাভাবিক ভাবে চলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, সোমবারও তারা দোকান খুলে ছিলেন। ইস্টার্ন প্লাজা এবং মাল্টিপ্ল্যান সেন্টারের বৈধ মোবাইল ব্যবসায়ীরাও এদিন দোকান খুলেছেন। 

বিটিআরসি ভবনে হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা দোকান খোলা রাখছেন, তাদের শতভাগ নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। কোনো উসকানিদাতা বা হামলাকারীকে তাৎক্ষণিক গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  মার্কেটের ভেতরে ও বাইরে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই বসুন্ধরা সিটির মোবাইল ফ্লোরগুলোতে ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। অবৈধ আমদানিকারকদের গঠিত কথিত ‘ব্যবসায়ী সমিতি’ দোকান বন্ধ রাখার যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে একে একে সব বড় শোরুমের সাটার খোলা হয়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা চোরাই ফোনের ব্যবসা করেন না, তাই তারা সরকারের এনইআইআর সিস্টেমকে ভয় পান না।

বসুন্ধরা সিটির একজন শোরুম মালিক বলেন, “আমরা বৈধভাবে ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে এবং বিটিআরসির অনুমতি নিয়ে ফোন বিক্রি করি। কতিপয় অবৈধ আমদানিকারক ও ল্যাগেজ পার্টির ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষার জন্য আমরা আমাদের রুটি-রুজি বন্ধ রাখতে পারি না।” ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রযুক্তিগত এই সংস্কারকে স্বাগত জানান।

এদিকে শাটডাউন পরিস্থিতিতেই ১ জানুয়ারি বড় মার্কেটগুলোর মধ্যে প্রথম দোকান খুলে যমুনা ফিউচার পার্কের ব্যবসায়ীরা। 

ডিবিটেক/জিআর/পিএ