অ্যাসেট উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মাঠে এই অঞ্চলের ৩৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪২ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী ১১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাসেট স্কিল কম্পিটিশন ২০২৫। "অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET)" প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও প্রথম রানার্সআপ হয়েছে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দুইটি দল।
আইওটি মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে অগ্নি নির্বাপক রোবট প্রকল্পের জন্য চ্যাম্পিয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে স্মার্ট সিটি ধারণা দিয়ে প্রথম রানার্সআপ হয়েছে এই পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা।
প্রতিযোগিতায় ১১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন ৩৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। শিক্ষার্থীদের তৈরি করা অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে ছিল- ভূমিকম্প সহনীয় ভবন, কৃষি রোবট, জিওপলিমার সাসটেইনেবল কংক্রিট, কার্বন পিউরিফিকেশন ফ্যাক্টরি, গ্লোভস কমিউনিকেশন সিস্টেম (কথা বলায় বাধাগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য), আধুনিক খামার, ম্যাজিক বার্নার, প্রাকৃতিক উপায়ে শীতলীকরণ, স্মার্ট সেচ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পরিবেশ বান্ধব ভবন, গ্রিন বিল্ডিং ভবন, ক্যান্টিলিভার বিম ব্যবহার করে পার্বত্য অঞ্চলের রাস্তা, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সেচ, লেজার বিম এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, হিউম্যান ফলোয়িং রোবট, মাউন্টেন রোড কার্ভে স্মার্ট ওয়ার্নিং সিস্টেম, ফ্লোটিং হাউস, গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর, হাইড্রো ডায়নামিক সিস্টেম ও রোবটিক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট।
এরমধ্যে থেকে ৯টি প্রকল্প আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এক্সিলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেংথেনিং স্কিলস ফর ইকোনিমক ট্রান্সফরমেশন’ (এএসএসইটি) প্রকল্পের অধীনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শোয়াইব আহমাদ খান, কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. জয়নাল আবেদীন ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক (উপ-সচিব) কাজী ফারুক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুল হক।
এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ প্রতিযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী তাদের ৩ হাজার ২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে হাজির হন।
ডিবিটেক/বিএনও/ইকে







