স্টারলিংকের ডাটা কোথায় যাচ্ছে? উস্কে দিচ্ছে জুয়া!
কৃত্রিম উপগ্রহ সেবা দুইটি দেশের যুদ্ধে নতুন মোড় সৃষ্টি করতে পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে এর প্রমাণ মিলেছে। এমন বাস্তবতায় স্টারলিংক সেবার ধূসর নীতিমালা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করছেন দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতারা। একই কারণেই দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সেবা দেয়ার সুযোগ দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি এক ধাক্কায় ১৭০ কোটি টাকা এবং বছরে ৫৪ কোটি টাকা পাচারের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে।
আইএসপিদের কাছ থেকে ব্যান্ড উইথ নিয়ে কোনো গ্রাউন্ড স্টেশন বা ডিবিআই ছাড়াই বিদেশী এই প্রতিষ্ঠানটিকে সেবা চালুর সুযোগ করে দিয়ে পথ রচনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
২৮ জুন, শনিবার রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত এক কর্মশালায় তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রস্তাবিত খসড়া টেলিকম নীতিমালা; আইএসপি শিল্পের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক কর্মশালায় দেয়া উপস্থাপনায় আইএসপিএবি’র আজীবন সদস্য মোবারক হসেন বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে জানান, ইন্টারনেট সেবা দেয়ার জন্য ১৩৯ ডক্যুমেন্ট দিয়ে ব্যবসা করতে হলেও বিদেশী একটি কোম্পানির সেবায় মাত্র দু-একটি কাগজেই করার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। একটি সংযোগ নিয়ে সেই লাইন তার দিয়ে টেনে একাধিক বা ততোধিক স্থানে সংযোগের সুযোগ করে দিয়ে ‘লেডি ইন্টারনেট’ ব্যবসায়ী বলে দেশের নিরাপত্তার বিষয়টি আমলে নেয়া হচ্ছে না। এর মাধ্যমে এখন অনলাইন জুয়া ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। কেননা, স্টারলিংকের সংযোগে জুয়ার সাইট দেশের মধ্যে উন্মুক্ত হয়ে গেছে। ধানমন্ডিতে অনেকেই এখন আইএসপি লাইন ছেড়ে দিচ্ছে।
কর্মশালায় কর্মশালায় দেশের শতভাগ দেশীয় কোম্পানির অংশগ্রহণের সরকারের কাছে কয়েকটি সাতটি দাবি তুলে ধরে আইএসপিএবি। দাবিগুলো হলো- ফ্লোর ও সিলিং প্রাইস নির্ধারণ, সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্য ৮০০ টাকা নির্ধারণ (৫০ এমবিপিএস), অ্যাক্টিভ শেয়ারিং চালু করা (সেবার মান ভালো হবে, ইন্টারনেটের দাম কমাতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে), লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি আইএসপির কাছে থাকা, এমটিটিএনের সার্ভিস চার্জ এক অংকে নামিয়ে আনা, সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (এসওএফ) ও রেভিনিউ শেয়ার তুলে দেওয়া এবং স্থানীয় তথা দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়া।







