চুয়েটে ডিজিটাল দক্ষতা প্রশিক্ষণে পাসের হার ৮৭%

চুয়েটে ডিজিটাল দক্ষতা প্রশিক্ষণে পাসের হার ৮৭%
২৭ মে, ২০২৫ ২১:০৯  
২৭ মে, ২০২৫ ২১:০৯  

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ মে (মঙ্গলবার) চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায়  মোট ১৫০০ জন অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রণকারীদের মধ্যে ১৩০৬ জন প্রশিক্ষণার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে পাসের হার ছিল ৮৭%।

মোট প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের মধ্যে চুয়েটের মোট ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে মূল্যয়ণ পরীক্ষায় এদের মধ্যে ৭২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।এছাড়াও চুয়েটের বাইরে থেকেও ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়ে ৫৮৫ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেন।

চুয়েটের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি) পরিচালিত ইনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্মেন্ট এন্ড ইকোনোমি (EDGE ) প্রকল্পের সহযোগিতায় "ডিজিটাল স্কিল ট্রেইনিং ফর স্টুডেন্টস" প্রশিক্ষণের সমাপনী উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ দুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া। এসময় আইআইসিটি এর সহযোগী পরিচালক ড. মোঃ মঞ্জুর উল হাসান তার সঙ্গে ছিলেন। 

চুয়েটের আইআইসিটি এর পরিচালক ও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান ঞ্চালনা করেন চুয়েটের ইটিই ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী তন্ময় দত্ত ও নাফিসা নাওয়ার। প্রশিক্ষণ পরিচালনায় ৪২ জনেরও বেশি একাডেমিক প্রশিক্ষক এবং ২০ জনের বেশি ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট যুক্ত ছিলেন।

কর্মসূচিতে ৩০টি ইন্টারমিডিয়েট কোর্স এবং ২৯টি ফাউন্ডেশন কোর্স পরিচালিত হয়। এছাড়া ১৫ জন মেন্টর প্রশিক্ষণার্থীদের দিকনির্দেশনায় যুক্ত ছিলেন।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) বাস্তবায়িত এবং বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের (GoB) অর্থায়নে পরিচালিত EDGE (ইনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্মেন্ট এন্ড ইকোনোমি) প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়েছে।

সমাপনীতের প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, “একবিংশ শতাব্দির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা ও যোগ্যতা সম্পন্ন গ্রাজুয়েট তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে বিশ্বমানের জনসম্পদে পরিণত করতে হবে, যেন তারা দেশীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই। গতানুগতিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। মনে রাখতে হবে যে যত বেশি জানবে, বিশ্বায়নের যুগে সে তত এগিয়ে থাকবে। তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে এবং কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে হলে এখন থেকেই এই দক্ষতাগুলোতে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে এমন অনেক কাজ তৈরি হবে যা সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করবে।”