টোকিওতে জাইকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক; বাজেট সহায়তা, কৃষি আধুনিকায়ন ও সহজ শর্তে ঋণ অব্যাহত রাখার আহ্বান

বাংলাদেশে ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী’ গঠনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

  • দেশে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানের বিশেষ সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাজেট সহায়তা এবং সহজ শর্তে ঋণ অব্যাহত রাখার অনুরোধ
  • অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নে জাইকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত

বাংলাদেশে ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী’ গঠনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৯  

বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী নগরী’ প্রতিষ্ঠায় জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কারিগরি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজেট সহায়তা এবং অবকাঠামো খাতের প্রকল্প ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

২৬ অক্টোবর, সোমবার টোকিওর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে ইম্পিরিয়াল হোটেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাইকার প্রেসিডেন্ট তানাকা আকিহিকোর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

উপ-প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশ-জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারত্ব’, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী নির্মাণ এবং কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে জাপানি বিনিয়োগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত বছরের ধারাবাহিকতায় দেশের সার্বিক জ্বালানি চাহিদা ও নিরাপত্তা বিচারে জাপান থেকে বাজেট সহায়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে জাপানের সহযোগিতা অত্যন্ত সুদৃঢ়। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে আমরা জাপানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বজায় রাখতে চাই।"

জাইকার প্রেসিডেন্ট তানাকা আকিহিকো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে চলমান মেগা প্রজেক্টগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং নতুন অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প দ্রুত অনুমোদনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জাইকার পক্ষে সংস্থাটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেই-সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

//ডিবিটেক /বিটিআর/এসএমই/এমআইএসটি//