নারীদের জন্য ই-সেবা যেন ‘ডিজিটাল হয়রানি’
ঢাকা: আন্তর্জাতিক একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আবাসন মেলায় পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আইভি আক্তার। মেলায় বেশ কয়েকটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির বুকিং স্টল ঘুরে দেখার সময় রেজিস্টার খাতায় নিজের নাম ও ফোন নম্বর লিখে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু মেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় চরম ভোগান্তি। দিন নাই রাত নাই, ফ্ল্যাট বিক্রির মার্কেটিং কলে অতিষ্ঠ […] The post নারীদের জন্য ই-সেবা যেন ‘ডিজিটাল হয়রানি’ first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.

ঢাকা: আন্তর্জাতিক একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আবাসন মেলায় পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আইভি আক্তার। মেলায় বেশ কয়েকটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির বুকিং স্টল ঘুরে দেখার সময় রেজিস্টার খাতায় নিজের নাম ও ফোন নম্বর লিখে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু মেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় চরম ভোগান্তি। দিন নাই রাত নাই, ফ্ল্যাট বিক্রির মার্কেটিং কলে অতিষ্ঠ করে তোলে তাকে। কয়েক সপ্তাহ পর তার নম্বরে আসতে শুরু করে একের পর এক কুরুচিপূর্ণ মেসেজ এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের অনাকাঙ্ক্ষিত ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ কল।
আইভি আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে সারাবাংলার এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘একটি মেলায় নম্বর দেওয়ার পর থেকেই এই হয়রানি শুরু হয়েছে। আমার ফোন নম্বরটি যেভাবে অন্যান্য মার্কেটিং এজেন্সি ও থার্ড পার্টির কাছে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে কোথায় নম্বর দেব আর কোথায় দেব না, তা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি।’
আইভির মতো একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ক্যান্টনমেন্টের বাসিন্দা ও গৃহিণী নার্গিস চাঁদনী। তিনি নিয়মিত কেনাকাটা করেন একটি ব্রান্ডেড সুপারশপে। সম্প্রতি বিল পরিশোধের সময় ‘মেম্বারশিপ পয়েন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার’র কথা বলে তার মোবাইল নম্বর নেওয়া হয়। এর কিছুদিন পর থেকেই তার মোবাইলে আসতে শুরু করে একের পর এক অপ্রত্যাশিত কল, এসএসএমএস এবং নানা ধরনের স্প্যাম বার্তা। নুসরাত সারাবাংলাকে বলেন, ‘একটা ক্যাশব্যাক অফারের জন্য নম্বর দেওয়ার পর থেকে দিনে ৫-১০টা অচেনা নম্বর থেকে কল আসছে। এমনকি রাতেও অনাকাঙ্ক্ষিত কল আসছে। বুঝতে পারলাম, আমার নম্বরটি অন্য কোনো মার্কেটিং এজেন্সির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বা ফাঁস হয়েছে।’
তবে কেবল বাণিজ্যিক খাতই নয়, রাজধানীর অদূরে উপজেলা সদরের এক ডিজিটাল সেন্টারে রোদের তীব্রতা মাথায় নিয়ে বসে থাকা সালমা খাতুনের (ছদ্মনাম) অভিজ্ঞতা আরও করুণ। একটি সামাজিক ভাতার আবেদন করতে গত তিন দিন ধরে কখনো ইউনিয়ন পরিষদে, কখনো আবার উপজেলা অফিসে ছুটছেন তিনি। প্রথম দিন অনলাইনে আবেদন করার পরেও তাকে বলা হয়েছে, ‘নথি প্রিন্ট করে সশরীরে জমা দিতে হবে এবং স্যারকে সই করাতে হবে।’ দুই মাসের সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে লাইনে দাঁড়ানো সালমার মনে অন্য এক আতঙ্ক- জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদের জন্য সরকারি ই-সেবা সেন্টারে দেওয়া তার মোবাইল নম্বরে কিছুদিন ধরে একটি অচেনা নম্বর থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত কল আসছে।
বাণিজ্যিক প্রমোশনাল বুথ থেকে শুরু করে সরকারি বিভিন্ন ই-সেবা প্ল্যাটফর্ম কোথাও নারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নেই। সংবেদনশীল তথ্য গোপন না থাকা ও সুরক্ষার সঠিক নিশ্চয়তা না পাওয়ায় নারীদের মাঝে তৈরি হয়েছে বিরাট আস্থার সংকট।
অনাকাঙ্ক্ষিত যোগাযোগ ও তথ্যের সুরক্ষাহীনতা
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা ফেলো তামিম আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় আমরা দেখছি যে, সেবা নেওয়ার পর শতকরা ৬১ জন নারী অননুমোদিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যোগাযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। অর্থাৎ, সেবা পাওয়ার জন্য দেওয়া তাদের ফোন নম্বর বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার বাইরে চলে গেছে। সবচেয়ে মারাত্মক বিষয় হলো, শতকরা ৭৩ দশমিক ২ জন নারী মনে করেন যে, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য যেকোনো সময় হ্যাক হতে পারে বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মাত্র ৩৩ দশমিক ৩২ শতাংশ নারী সরকারি পোর্টালে তথ্য দেওয়াকে নিরাপদ মনে করেন।’
ই-সেবা ও বাণিজ্যিক খাতে নাগরিক তথ্যের এমন অরক্ষিত অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বেসরকারি সংস্থা ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফউদ্দিন আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘নাগরিক যখন বিশ্বাস করে সরকার কিংবা যেকোনো প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে নিজের নাম, ফোন নম্বর ও ছবি জমা দিচ্ছেন, তখন সেই তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে ফাঁস হওয়া নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন। বিশেষ করে প্রান্তিক বা মধ্যবিত্ত অঞ্চলের নারীরা যখন এই অনাকাঙ্ক্ষিত ফোন বা বার্তার শিকার হন, তখন পরিবার থেকেও তারা চরম মানসিক ও সামাজিক বাধার মুখে পড়েন। এটি রোধে অবিলম্বে শক্ত ডাটা প্রোটেকশন আইনের প্রয়োগ ও নজরদারি দরকার।’
কর্মকর্তাদের অপব্যবহার ও সম্মতির অভাব
ভুক্তভোগী নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মী বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হয়। ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর আস্থার ঘাটতির পাশাপাশি সঠিক কোনো গোপনীয় নীতি না থাকা এবং গ্রাহক/নাগরিকের সম্মতি ছাড়া তথ্য হস্তান্তর হয়ে যাওয়া এই ভয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে সিপিডির গবেষণা ফেলো তামিম আহমেদ বলেন, ‘আমাদের মাঠপর্যায়ের উপাত্ত বলছে, নাগরিকরা সেবা ব্যবহারের সময় ঠিক কী ধরনের তথ্য দিচ্ছেন এবং তা কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে তারা পুরোপুরি সচেতন নন। যখন কোনো সেবাগ্রহীতা জানেন না তার তথ্যের কতটুকু কোথায় ব্যবহৃত হচ্ছে, তখন ব্যবস্থার প্রতি তাদের ভয় ও অনাস্থা তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক।’
ই-সেবার নামে অফলাইনের বাড়তি দৌড়ঝাঁপ
কাগজে-কলমে সেবাগুলো ‘ডিজিটাল’ বলা হলেও বাস্তবে সেবাগ্রহীদের অফলাইন ভোগান্তি কমেনি। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অনলাইনে শেষ করতে পারেন মাত্র ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ নারী। বাকিদের অনলাইনে প্রাথমিক আবেদনের পরও শারীরিক নথি জমা দিতে, সশরীরে গিয়ে সাক্ষাৎ দিতে বা সই করতে সরকারি কার্যালয়ে ছুটতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারীকে কাগজপত্র জমা দিতে সরাসরি কার্যালয়ে যেতে হয় এবং ৫১ দশমিক ৮ শতাংশকে শারীরিকভাবে নথি সংগ্রহ করতে হয়। এ ছাড়া ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারীকে সশরীরে গিয়ে সই দিতে হয়।
এই ‘অর্ধ-ডিজিটাল’ ব্যবস্থার প্রশাসনিক ত্রুটি তুলে ধরে সাবেক সচিব ও লোকপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ড. মোজাফফর আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা সেবাকে ডিজিটালাইজড করার কথা বলছি, কিন্তু মাঠপর্যায়ের আমলাতান্ত্রিক মানসিকতা ও পুরো প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় না করার ফলে ই-সেবার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। অনলাইনে ফর্ম পূরণের পর আবার নথিপত্র নিয়ে সশরীরে লাইনে দাঁড়ানোর এই বাধ্যবাধকতাই মধ্যস্বত্বভোগী ও ঘুষের সুযোগ তৈরি করে দেয়, যা নারীদের জন্য সবচেয়ে বড় ভোগান্তির কারণ।’
অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার অনুপস্থিতি
এত গেল হয়রানির ঘটনা। এবার প্রতিকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানা গেলো- ভুক্তভোগী নারীরা কোনো সমস্যা হলেও কখনো আনু্ষ্ঠানিক অভিযোগ জানান না। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দু’টি বিষয় উঠে আসে।
নার্গীস চাঁদনী সারাবাংলাকে বলেন, ‘অভিযোগ দেওয়ার কোনো প্রসেস আছে কিনা সে বিষয়ে আমি জানিই না। কোথায় কীভাবে অভিযোগ দেব, আমার পরিবারের কেউ জানে না। মোবাইলে বা টেলিভিশনেও তো এমন কিছু কখনো দেখিনি। কীভাবে জানাব?’
অন্যদিকে চাকরিজীবী নারী আইভি আক্তার বলেন, ‘প্রতিটি অফিস খোলা থাকে ৯টা-৫টা। আমিও অফিস করি ওই টাইমে। কখন যাব? ঘরে বসে যে সুবিধা পাওয়ার কথা, সেখানে উলটো অফিস ডিউটি ফেলে সশরীরে অভিযোগ দিতে যাওয়া ঝামেলা। তাছাড়া এর আগেও আমি অভিযোগ দিতে গিয়েছিলাম। বলা হয়েছে, ৭ কার্যদিবসে প্রতিকার পাব। কিন্তু এক মাস হলেও সেই অভিযোগ ঝুলেই আছে।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ বলেন, “ডিজিটাল গভর্ন্যান্স কার্যকর করার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো স্বচ্ছ ও কার্যকর ‘কমপ্লেট রেড্রেস মেকানিজম’ (CRM)। কোনো নারী যদি অভিযোগ করে নিশ্চিত হতে না পারেন যে তার অভিযোগের অগ্রগতি কী, তবে তিনি কখনোই এই ব্যবস্থার ওপর আস্থা পাবেন না। অভিযোগ জমা দেওয়া থেকে শুরু করে আপিল পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটি সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করতে হবে।’
উত্তরণের উপায় ও করণীয়
বাণিজ্যিক খাত ও সরকারি সেবা সব ক্ষেত্রেই নারীদের আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং তথ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিততে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন-
কঠোর ডাটা প্রটেকশন আইন ও প্রফেশনাল প্রাইভেসি পলিসি: নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আধুনিক ডাটা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সুপারশপ, মেলা বা ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে গ্রাহকের লিখিত সম্মতি ছাড়া নম্বর বা তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে বিপণনের উদ্দেশ্যে হস্তান্তর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে হবে।
এন্ড-টু-এন্ড (End-to-End) অটোমেশন: কাগজে-কলমে বা সশরীরে উপস্থিতির ঝামেলা দূর করে পুরো সরকারি সেবা প্রক্রিয়াটিকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল করতে হবে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও ঘুসের সুযোগ বন্ধ হবে।
স্বয়ংক্রিয় অভিযোগ প্রতিকার ও সাইবার হেল্পলাইন: হয়রানি বা তথ্য ফাঁসের ঘটনায় নারীরা যেন সহজে অভিযোগ করতে পারেন, সেজন্য প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি ই-পোর্টালে একটি স্বয়ংক্রিয়, নিরাপদ ও গোপনীয় অভিযোগ বাক্স বা হটলাইন চালু করতে হবে।
ডিজিটাল সচেতনতা ও তথ্যের অধিকার: কোথায় নিজের ফোন নম্বর দেওয়া নিরাপদ এবং কোথায় নম্বর বা তথ্য দেওয়ার আগে শর্তাবলী পড়ে নেওয়া প্রয়োজন এ বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা জোরদার করতে হবে। নাগরিক হিসেবে নিজের তথ্য ডিলিট করার বা মুছে ফেলার অধিকার (Right to be Forgotten) নিশ্চিত করতে হবে।
ডিজিটাল সাক্ষরতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: বিশেষ করে প্রান্তিক ও গ্রামাঞ্চলের নারীদের জন্য সহজ ভাষায় এবং স্থানীয় মাধ্যমে ডিজিটাল সাক্ষরতা ও অনলাইন সচেতনতা বাড়ানোর ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিতে হবে, যাতে তারা জানতে পারেন কোথায় ফোন নম্বর বা তথ্য দেওয়া নিরাপদ।
কণ্ঠনির্ভর সেবা ও সর্বোচ্চ সাইবার নিরাপত্তা: ই-সেবা পোর্টালগুলোতে ভয়েস-বেসড বা কণ্ঠনির্ভর প্রযুক্তি চালু করা জরুরি, যাতে স্বল্পশিক্ষিত বা প্রতিবন্ধী নারীরাও নিরাপদে সেবা নিতে পারেন। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা ও শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কার্যকর সাইবার হেল্পলাইন ও দ্রুত বিচার ব্যবস্থা: ব্যক্তিগত নম্বর ফাঁসের ফলে হওয়া কল বা মেসেজ হয়রানির দ্রুত প্রতিকারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তা সহজ করতে হবে। হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে অনলাইনেই তাৎক্ষণিক জিডি বা অভিযোগ জানানোর সুব্যবস্থা থাকতে হবে।
সকলের জন্য নিরাপদ থাকুক ই-সেবা
ডিজিলাইজেশনের এই যুগে ঘরে বসে সেবা পাওয়া এখন সকলের জন্যই আশার আলো। ডিজিটালাইজেশনের যুগে ঘরে বসে দ্রুত সেবা পাওয়ার আশা জাগলেও, তথ্যের অপব্যবহার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি সেই আশাকে সংকটে ফেলছে। প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে হলে তথ্যের গোপনীয়তা ও নারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। তবে, প্রযুক্তি দিয়েই সব সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটি সরকারি দফতরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা রাখা এবং নির্ভরযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
The post নারীদের জন্য ই-সেবা যেন ‘ডিজিটাল হয়রানি’ first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.





