ভিসির স্টল পরিদর্শন

ইনোভেশন ফেয়ারে চুয়েটের ১৪ প্রকল্প

  • ১৪টি প্রকল্পে প্রকৌশল ও প্রযুক্তির নানা সমাধান তুলে ধরা হয়েছে
  • চুয়েটের স্টলে গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়েছে
  • বাস্তব প্রয়োগে গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ভিসির

ইনোভেশন ফেয়ারে চুয়েটের ১৪ প্রকল্প
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:৩০  

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের সম্ভাবনা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ ১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অংশ নিয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বালানি, পরিবেশ, অবকাঠামো ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত এবং গবেষণালব্ধ এসব প্রকল্পে দেশের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরা হয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন দুপুর ১২টায় মেলায় চুয়েটের স্টল পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম।

এ সময় তিনি মেলায় প্রদর্শিত চুয়েটের ১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে প্রকল্পগুলোর উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্য, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বাস্তবায়নে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মেলাটি আয়োজন করা হয়েছে। এতে ৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, উদ্ভাবক ও গবেষকেরা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করছেন।

প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবন ও ধারণা প্রদর্শিত হচ্ছে মেলায়।

চুয়েটের স্টলে প্রদর্শিত ১৪টি প্রকল্পে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বানি, পরিবেশ, অবকাঠামো ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ধারণা এবং প্রযুক্তিগত সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষণাকে বাস্তবমুখী করা, প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ বাড়ানো এবং দেশের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলভিত্তিক উদ্ভাবনের সম্ভাবনা তুলে ধরা হচ্ছে।

চুয়েটের প্রকল্পগুলোর সমন্বয় ও মনিটরিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বণিক এবং সেকশন অফিসার ইসহাক মজুমদার।

চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলরের স্টল পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকে আরও উৎসাহিত করেছে। এ সময় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম চুয়েটের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলোকে বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
//ডিবিটেক/আইইএম/এসএমই/এমআইএস//