শিল্প-একাডেমিয়ার মেলবন্ধনের নতুন উদ্যোগ
ইনোভেশন ফেয়ারে নোবিপ্রবির ছয়টি প্রযুক্তি প্রকল্প
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মুদ্রা শনাক্তকরণ ও স্মার্ট অ্যাকুয়াকালচার প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে নোবিপ্রবি
- গ্রিনহাউস গ্যাসকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর এবং পুষ্টিকর খাদ্য তৈরিতে গবেষকদের সাফল্য
- ল্যাবরেটরির উদ্ভাবন বাণিজ্যিকীকরণে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধনে জোর দিয়েছেন উপাচার্য
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্যাটালিটিক রাসায়নিক রূপান্তর এবং আধুনিক স্মার্ট প্রিসিশন ফার্মিংসহ ছয়টি উচ্চপ্রযুক্তির গবেষণা প্রকল্প নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের উদ্ভাবন মঞ্চে হাজির হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।
১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার এ তথ্য জানা যায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী (১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল তাদের এসব উদ্ভাবন উপস্থাপন করে।
বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এর নোবিপ্রবি ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান জানান, নির্বাচিত ছয়টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন ও উৎপাদন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মৎস্যচাষ, সামুদ্রিক শৈবাল ও ছোট মাছকে পুষ্টিকর খাদ্যে রূপান্তর, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য কাগুজে মুদ্রা শনাক্তকরণ, গ্রিনহাউস গ্যাসকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর এবং প্রাকৃতিক গ্রিন টি উৎপাদন।
|
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, "বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা মোট ছয়টি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প ও আইডিয়া উপস্থাপন করেছি। মেলায় আমাদের স্টলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এসে প্রকল্পগুলো সম্পর্কে আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং আমরা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি।" তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যের সার্বিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, "প্রজেক্টগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক এই ইনোভেশন ফেয়ারের মূল উদ্দেশ্য হলো একাডেমিয়ার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কোলাবোরেশন তৈরি করা। এর মাধ্যমে আমাদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো সম্পর্কে মানুষ ও ইন্ডাস্ট্রি জানতে পারবে এবং ভবিষ্যতে কোলাবোরেশন আরও বৃদ্ধি পাবে।" তিনি জানান, এ অংশগ্রহণের ফলে গবেষণা প্রকল্পগুলো প্রদর্শিত হওয়ায় শিল্পের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ কাজের সুযোগ বাড়বে। প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প দফতরগুলোর সমন্বয় ঘটিয়ে এ প্রযুক্তিগুলো দ্রুত বাণিজ্যিকীকরণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
//ডিবিটেক/সামিয়া হোসেন মুনিয়া/এসই/ইআইসি//





