১৬৬টি দলের সাড়ে ৫ শতাধিক তরুণ উদ্ভাবকের মিলনমেলা; লক্ষ্য রোবোটিক্স ও এআই প্রযুক্তির বিকাশ
ইউএফটিবিতে চলছে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ‘রোবোফিউশন ১.০’
- প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের মেধা বিকাশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তিতে আগ্রহ বাড়াতে শুরু হয়েছে ‘রোবোফিউশন ১.০’
- ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর রোবোটিক্স ক্লাব এই উৎসবের আয়োজন করেছে
- গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের দ্বিতীয় ভবনে ৮ আগস্ট (শনিবার) সকাল থেকে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে
- উৎসবের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ক্যাটাগরিতে সারাদেশের ১৬৬টি নিবন্ধিত দলের সাড়ে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন
- লাইন ফলোয়িং রোবট, রোবো সকার, টেকাথন, প্রজেক্ট শোকেস এবং বোট রেসিং ক্যাটাগরিতে চলছে মূল প্রতিযোগিতা
প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের মেধা বিকাশ, উদ্ভাবনী প্রতিভার প্রকাশ এবং রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তিতে তরুণদের আগ্রহ বাড়াতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের দ্বিতীয় ভবনে শুরু হয়েছে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব ‘রোবোফিউশন ১.০’। ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর রোবোটিক্স ক্লাবের আয়োজনে ৮ আগস্ট (শনিবার) সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাড়ে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত প্রতিযোগিতায় মোট ১৬৬টি নিবন্ধিত দল বিভিন্ন আকর্ষণীয় ক্যাটাগরিতে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে—লাইন ফলোয়িং রোবট (LFR), রোবো সকার, টেকাথন, প্রজেক্ট শোকেস এবং বোট রেসিং। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, লাইন ফলোয়িং রোবট প্রতিযোগিতায় ৩৩টি দল, রোবো সকারে ২০টি দল, টেকাথনে ৩৫টি দল, প্রজেক্ট শোকেসে ৬৫টি দল এবং বোট রেসিংয়ে ১৩টি দল অংশ নিয়েছে। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি তরুণদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রায়োগিক সেশনেরও আয়োজন করা হয়েছে।
উৎসবের আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আশিকুচ্ছালেহীন বলেন, “রোবোফিউশন ১.০-এর মূল উদ্দেশ্য শুধু একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা নয়; বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করা। আমাদের তরুণদের মধ্যে অসাধারণ মেধা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা রয়েছে। আমরা আশা করি, এই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে আরও উৎসাহিত হবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।” বিকেল সাড়ে ৫টায় বিজয়ী দলগুলোর মধ্যে জমকালো পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই জাতীয় রোবোটিক্স উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
//ডিবিটেক/আইএইচ/এমআইএস//





