সামাজিকমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে সাইবার সহায়তা চাইলেন অভিনেতা
বিকৃত কনটেন্টে আইনি পদক্ষেপে জাহিদ হাসান
নিজের বক্তব্য বিকৃত করে সামাজিকমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। তিনি বিষয়টি সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নীতিনির্ধারকদের নজরে আনার কথাও বলেছেন।
সামাজিকমাধ্যমে বক্তব্য বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। তার দাবি, একটি সাক্ষাৎকারের বক্তব্যকে মূল প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে অন্য একটি ভিডিওর সঙ্গে যুক্ত করে একাধিক সামাজিকমাধ্যম পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মানসিক অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য পরবর্তীতে ভিন্ন প্রসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিনেতার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট কনটেন্টের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।
জাহিদ হাসান জানান, তার আইনজীবী ও ডিজিটাল সহায়তা দল সংশ্লিষ্ট সামাজিকমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ও প্রকাশিত কনটেন্টের তথ্য সংগ্রহ করছে। কারা পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা করেছে, সে বিষয়ে তথ্য যাচাইয়ের কাজও চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ পাওয়া গেছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে জানান তিনি।
অভিনেতা আরও বলেন, জনপরিচিত ব্যক্তিদের বক্তব্য বা ব্যক্তিগত মুহূর্তকে প্রেক্ষাপটবিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করা তথ্য বিভ্রান্তির ঝুঁকি তৈরি করে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন তোলে।
তার মতে, সামাজিকমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্তকরণ, জবাবদিহি এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা কার্যকর করা প্রয়োজন, যাতে ডিজিটাল পরিবেশে আস্থা ও তথ্যের মান বজায় থাকে।
//ডিবিটেক/এমএআর/ডিএইচই//





