ট্রেনে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু; যেভাবে কাটবেন 

ট্রেনে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু; যেভাবে কাটবেন 
৩ মার্চ, ২০২৬ ০৮:০৩  

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ৩ মার্চ, মঙ্গলবার  সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলে গমনকারী ট্রেনের আগামী ১৩ মার্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর মধ্যদিয়ে শুরু হলো এই কার্যক্রম। চলবে শেষ হওয়ার আগপর্যন্ত। আর একই দিনের পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।  

বাংলাদেশ রেলওয়ে’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪ মার্চের টিকিট ৪ মার্চ, ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ পাওয়া যাবে।

বরাবরের মতো ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হবে। টিকিট কাটতে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে ফোন বা পিসি থেকে  কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।  ঘরে বসেই খুব সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ট্রেনের টিকিট কাটা যাচ্ছে। এছাড়া মোবাইলের প্লে-স্টোর থেকে রেল সেবা অ্যাপ ডাউনলোড করে সেখান থেকে রেজিস্ট্রেশন করে অনলাইনে খুব সহজেই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন। এখানে বিকাশ, নগদ অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে টিকিটের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। এটি খুবই সহজ একটি পদ্ধতি৷ 

অনলাইনে টিকিট কাটার জন্য প্রথমে একটি স্মার্টফোন অথবা একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অথবা ডাউনলোড করা ‘রেল সেবা’ অ্যাপে ঢুকে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। 

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপসে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ই-মেইল আইডি ও ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে। প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অটো লগইন না হয়ে থাকলে প্যানেলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড পূরণ করে লগইন বাটনে ক্লিক করতে হবে।

লগইনের পর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে সার্স টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের নাম, সিট অ্যাভেলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) ও ট্রেন ছাড়ার সময় দেখা যাবে। ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে হবে।

টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। কন্টিনিউ পারচেজ অপশনে ক্লিক করার পর বিকাশ, নগদ, রকেট, ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংক এবং ভিসা কার্ড ব্যবহার করে ট্রেনের টিকিটের মূল্য পরিশোধের অপশন আসবে। মূল্য পরিশোধ হয়ে গেলে আপনাকে ই-মেইলে ট্রেনের টিকিট পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আবার মূল্য পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গে ডাউনলোড অপশন থেকেও টিকিট ডাউনলোড করা যাবে। রেলস্টেশনে প্রবেশ এবং যাত্রার সময় আপনাকে অবশ্যই ডাউনলোড করা ট্রেনের টিকিটের একটি কপি সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় রেলওয়ে আইন অনুযায়ী আপনার জরিমানা হতে পারে। 

তবে ট্রেন ছাড়ার দিন অতিরিক্ত যাত্রীর চাহিদা মাথায় রেখে বরাদ্দকৃত সাধারণ শ্রেণির আসনের মোট ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
ডিবিটেক/এনএ/এমইউএম