বিটিআরসি-তে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলায় ঘটনা স্থল থেকে ৫ জন পাকড়াও
রাজধানীর প্রশাসনিক এলাকা আগারগাঁয়ে অবস্থিত বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অনন্ত ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনা-পুলিশ যৌথ উদ্যোগে ঘটনাস্থল থেকে এই গ্রেফতার করা হলেও তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
এদিকে হামলার ঘটনায় বিটিআরসি-থেকে শেরে বাংলানগর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানাগেছে। মামলা হলে এই মামলায় দোষিদের গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে প্রকৃত দোষিদের খুঁজে বের করা হবে বলে জানাগেছে।
অপরদিকে বিটিআরসি ভবনের নিরাপত্তায় সেখানে পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ মোবাইল আমদানি রোধে দেশের সব স্থল ও বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউজে কঠোর অভিযান শুরু হবে।
বিটিআরসি ভবনে ভাংচুর
সূত্রমতে, শুল্ক না কমিয়ে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুতে আপত্তি জানিয়ে ১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিটিআরসিতে গিয়েছিলেন মোবাইল ও গ্যাজেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’ (এমবিসিবি) এর নেতারা। এসময় বাইরে শতাধিক ব্যবসায়ীরা অবস্থান নেন। ওই সময় বিটিআরসি’র সম্মেলন কক্ষে মোবাইল অপারেটর ও নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। এমবিসিবি নেতারাও বৈঠক করছিলেন বিটিআরসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে। সেই বৈঠক চলাকালেই এই হামলা করে বাইরে থাকা মোবাইল ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে বিটিআরসির উপ-পরিচালক (মিডিয়া কমিউনিকেশন) জাকির হোসেন খান বলেছেন, এরকম হামলা একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। একটা নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপর এভাবে হামলা বাংলাদেশ আগে কখনো দেখেনি। আর যে ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালিয়েছেন তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিন্তু ভিতরে মিটিং চলছিল। এই সময় তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে বসেন এই সময়ই তারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে বসেন।
হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে জাকির খান বলেন, "ঊর্ধ্বতনরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।"
বিটিআরসির অপর এক কর্মকর্তা জানান, তারা আসরের নামাজ পড়ছিলেন, এ সময় বাইরে থেকে ইটপাটকেল মারা শব্দ পান। বিকেল ৫টার দিকে সেখানে সেনাবাহিনীর একাধিক দল এসে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই ৫ জনের মতো গ্রেফতার করেছে সেনা ও পুলিশ।
ডিবিটেক/এমইউ/ইক







