পুরুষের চেয়ে নারী পিছিয়ে ৫ শতাংশ
ইন্টারনেটের বাইরে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ
বর্তমানে দেশের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৮১ জন বা অর্থাৎ ৮১ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তবে নিজের মোবাইল আছে এমন মানুষের হার মাত্র ৫৭ শতাংশ। ব্যক্তি মালিকনায় মোবাইলফোনে ২৪ শতাংশ পিছিয়ে থাকার মতোই ব্যক্তিগতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকেরা। এই হার মাত্র ৪৯ শতাংশ।
অর্থাৎ দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ এখনো ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে রয়েছেন। এছাড়াও জরিপে দেখা গেছে, মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি। পুরুষের ক্ষেত্রে হার ৮১ শতাংশ, নারীদের ক্ষেত্রে ৭৯ শতাংশ। তবে মোবাইল ফোনের মালিকানায় নারীরা পুরুষের তুলনায় ১০ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে ৫ শতাংশ পিছিয়ে আছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, দেশের বর্তমানে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ কোটি ৬৯ লাখ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এই সেটের মালিকানা রয়েছে ৯ কোটি ৫৯ লাখ মানুষের। ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন ৮ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ।
জরিপ বলছে, বর্তমানে ৬৩ শতাংশ পুরুষের নিজের অন্তত একটি মোবাইল ফোন আছে, যেখানে নারীদের ক্ষেত্রে এই হার ৫৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকেও নারীরা পিছিয়ে আছেন। পুরুষদের মধ্যে ৫১ শতাংশ বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, আর নারীদের হার ৪৬ শতাংশের কিছু বেশি।
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দিন দিন বেড়েছে, তবে সাধারণ মোবাইল ফোনের মালিকানা কিছুটা কমেছে। ২০২২ সালে দেশের ৬১.৮ শতাংশ মানুষের নিজস্ব মুঠোফোন ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এসে সেই হার কমে ৫৭ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২২ সালে দেশের ৩৮.৯ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতেন। তিন বছরে এই হার বেড়ে ৪৮.৯ শতাংশ হয়েছে।
ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে



