প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও ব্যুরিয়ক্রাটিক ডিরেগুলেশন চান আমির খসরু

প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও ব্যুরিয়ক্রাটিক ডিরেগুলেশন চান আমির খসরু
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫০  
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১৯  

আইটি নির্ভর ব্যবসায় বিনিয়োগ ও প্রণোদনা সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই খাত নিয়ন্ত্রণ ‘ভারে ন্যুব্জ’ উল্লেখ করে ‘সিরিয়াসলি ব্যুরিয়ক্রাটিক ডিরেগুলেশন’ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। ক্ষমতায় গেলে এ ধরেন রফতানি খাতে পোশাক শিল্পখাতের মতো প্রণোদনা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বাধা আসলেও দেশকে বিনিয়োগ আকর্ষণ করে পরবর্তী ধাপে নেয়ে যেতে; ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে বিদ্যমান পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করে উদ্যোগগুলোবে সরকারি থেকে বেসরকারীমুখী করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।       

১৮ অক্টোবর, শনিবার গুলশান এভিনিউয়ে  রেনেসাঁ হোটেলে অনুষ্ঠিত  বাণিজ্যবিষয়ক সেমিনারে এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্ট্যাডিস (এফএসডিএস) এর আয়োজনে সংগঠনটি চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবরের সভাপতিত্বে সভায় ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, হোসেন জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাহবুব উল্যা, ববি হাজ্জাজ, মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

বক্তব্যে ই-কমার্স ও ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে ‘ফ্রন্টিয়ার থেকে ইমার্জিং মার্কেট’ ধরতে পরামর্শ দেন আমির খসরু । তিনি বলেন, বিমানকেও পুঁজি বাজারে যাওয়া উচিত। গ্রামে বসেই যেন মানুষ কাজ করতে পারে এজন্য আমাদের ইন্টারনেটকে শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য ব্রিজ নয়; এই খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।  

তিনি বলেন, ইনভেস্টমেন্ট চ্যানেলাইজ করতে হবে। বিদেশ থেকে যারা বিনিয়োগ করতে চায় তাদের জন্য আমাদের ভাবতে হবে। আমাদের দেশে ২ লাখের মতো ফ্রিল্যান্সার আছে। এখানে চিপসেট ডিজাইন হচ্ছে। আইটি নির্ভর ব্যবসায় দেড় লাখ উদ্যোক্তা আছে। এদেরকে মনিটাইজ করলে ও ফরমালাইজ করতে হবে। আর্থিক ও পলিসি সাপোর্ট দিলে তারা বাংলদেশী বংশোদ্ভূতরা দেশে বিনিয়োগ করতে চায়। এজন্য ডিরেগুলেট করতে হবে। দেশের জন্য তারা বিনিয়োগ করতে অপেক্ষা করছে।  

গোলটেবেল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক বায়েজিদ সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী।