বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কেও ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র চলছে?
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে পুরো মন্ত্রণালয় হাসিনার সরকারের মতো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কেও ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
২২ ডিসেম্বর, সোমবার বিকেলে শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরির সামনে 'সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ' এর ব্যানারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই দাবি করা হয়েছে।
সমাবেশে মানবাধিকার কর্মী রেজাউর রহমান লেনিন বলেন, 'স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নেতৃত্বে পুরো মন্ত্রণালয় হাসিনার সরকারের মত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কেও ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। -গণঅভ্যুত্থানের জোরে ক্ষমতায় বসে সেই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ব্যর্থ করতে এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের ধারবাহিকতা রক্ষা করবার সুযোগকে প্রসারিত করতে এমন কাজ করা হচ্ছে।’
এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে গণঅভ্যুত্থান বিরোধী ভূমিকা থেকে সরে আসার আহ্বান এবং পদত্যাগের দাবি জানান বক্তারা।
সমাবেশে রাজনৈতিক বিশ্লেষক বাকী বিল্লাহ বলেন, ফ্যাসীবাদ কোনও ব্যক্তি না, এটা একটা ব্যবস্থা। হাসিনা গেছে কিন্তু অযোগ্য স্বরাষ্ট্র হাসিনার ব্যবস্থা বহাল রাখার চেষ্টা করছে। তারই অংশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ-২০২৫ এ নাক গলানোর চেষ্টা।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রাশা বলেন, ‘ফোনে আড়িপাতার সাথে বাক-স্বাধীনতাও গণতন্ত্রের সরাসরি সাংঘর্ষিক সম্পর্ক। বাংলাদেশ আর ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী জায়গায় ফেরত যাবে না। জাহাঙ্গীর সাব চেষ্টা করলেও না।’
লেখক ও সংগঠক নাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাক্টিভিস্ট রাফসান আহমেদ, সংস্কৃতি কর্মি রহমান মুফিজ, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবের আহমেদ জুবেল, ভূমিহীন আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শেখ নাছির, সাংবাদিক শতাব্দীকা ঊর্মি, বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক আন্দোলনের সদস্য আবু বক্কর মঈনসহ অনেকে।
ডিবিটেক/এনএইচ/ইক







