শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান
প্রযুক্তি শিশুদের শেখার জগৎ উন্মুক্ত করার পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে তাদের জন্য বাড়িয়েছে ঝুঁকিও। বাড়ছে অনলাইন শোষণ, সাইবার গ্রুমিং, সেক্সটরশন, সাইবার বুলিংয়ের মতো অপরাধ। পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রণয়ন করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাইবারস্পেসকে শিশুবান্ধব করতে জোর দিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেক্সটিং, সাইবার বুলিং কিংবা অনলাইন গ্রুমিং থেকে শিশুদের রক্ষা করতে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার গুরুত্বও দিতে হবে। এজন্য ঘর থেকেই সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে খত সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, প্রযুক্তি যেমন শিশুদের শেখার জগৎ উন্মুক্ত করেছে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে তাদের জন্য ঝুঁকিও বাড়িয়েছে। পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
২২ জুলাই মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত "পর্নোগ্রাফিক সাইট নজরদারি ও ফিল্টারিং" বিষয়ে বিশেষ সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। “শিশুদের যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গ্রহণ এবং শিশু ও কমিউনিটির ক্ষমতায়ন” শিরোনামে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে আইন ও সালিশ কেন্দ্রে (আসক)। এতে শিশুদের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এনজিও ও সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সমিতি (আইএসপিএবি) ও সিভিল সোসাইটির সম্মিলিতভাবে এ সংলাপে অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে পর্নোগ্রাফি সাইট নজরদারি ও ফিল্টারিং বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আসকের নির্বাহী পরিষদের সদস্য তাহমিনা রহমান।







