জ্বালানি ক্রয়ে চাই রাইট এক্সপার্টিজ
বাংলাদেশের জ্বালানি সংগ্রহ ও বিশেষ করে এলএনজি প্রকিউরমেন্টে আমাদের রাইট এক্সপার্টিজ আনা দরকার। ঐতিহাসিকভাবেই এই জায়গায় আমরা লোকসান করছি। সঠিক সময়ে, সঠিক দামে এবং সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জ্বালানি কেনার সক্ষমতা এখনও আমাদের কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, বছরে বাংলাদেশের ১১০-১১৫টি এলএনজি কার্গো কেনার ক্ষেত্রে বাজারদর ও ক্রয়মূল্যের ব্যবধান থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বাড়তি খরচ হতে পারে। তবে এই হিসাবের নির্ভুলতা নির্ভর করবে কোন আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক, কোন ডেলিভারি উইন্ডো এবং কোন মূল্যকে তুলনার ভিত্তি ধরা হচ্ছে তার ওপর।
২০২৬ সালে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের অস্থিরতায় বাংলাদেশকে একাধিক স্পট কার্গো উচ্চ দামে কিনতে হয়েছে। ২৪ আগস্ট সরকার সেপ্টেম্বরের জন্য দুটি স্পট কার্গো অনুমোদন করে—একটি POSCO International-এর কাছ থেকে ২৪.৬২৫ ডলার এবং অন্যটি TotalEnergies Gas & Power-এর কাছ থেকে ২৪.২৫ ডলার প্রতি MMBtu দরে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের বার্ষিক সরবরাহ পরিকল্পনায় মোট ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির লক্ষ্য ছিল। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ও স্পট কার্গোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।
কাতার বাংলাদেশের বড় দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহকারী। কিন্তু ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ-সংক্রান্ত বিঘ্নের কারণে QatarEnergy বাংলাদেশে নির্ধারিত সরবরাহের বড় অংশ কমিয়ে দেওয়ার কথা জানায়। ফলে ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশকে স্পট বাজারে আরও বেশি যেতে হয়েছে।
এখানে কয়েকটি বিষয় আমলে নিতে হবে।
১. জ্বালানি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ফাইলে নয়, সমীকরণে হতে হবে
বর্তমান ব্যবস্থায় একজন মন্ত্রী ও একজন সচিবের নেতৃত্বে জ্বালানি পরিকল্পনার বড় সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। বিপিসি বা পেট্রোবাংলা বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রাথমিক প্রস্তাব তৈরি করে। এরপর ফাইল মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে সচিব ও মন্ত্রীর অনুমোদনের পর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যায়। অনুমোদনের পর আবার একই প্রশাসনিক পথে তা নিচে নামে।
অর্থাৎ কাঠামোটা অনেকটা এমন—
বিপিসি/পেট্রোবাংলা → মন্ত্রণালয় → সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি → মন্ত্রণালয় → বিপিসি/পেট্রোবাংলা।
একবার ফাইল ওঠে, অনুমোদন নেয় এবং আবার নামে। এরপর শুরু হয় প্রকৃত ক্রয়।
এ ধরনের দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় হতে পারে। কিন্তু জ্বালানি বাজারের মতো অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজারে প্রতিটি কার্গোকে যদি খুচরা ক্রয় হিসেবে বিবেচনা করতে হয়, তাহলে বাজারের ভালো সময় ধরে মূল্য নির্ধারণ বা আগাম মূল্য সুরক্ষার সুযোগ কমে যায়।
২০২৬ সালের ২৪ আগস্টের দুটি কার্গোই এর একটি উদাহরণ। দুটি কার্গোর দাম ২৪ ডলারের ওপরে ছিল। এর মাত্র কয়েক দিন আগে অনুমোদিত একটি কার্গোর দাম ছিল ২৩.৯৩ ডলার/MMBtu; তারও আগে আগস্টের দুটি কার্গো ২১.৭৭৮ ও ২১.৮৭৮ ডলারে অনুমোদিত হয়েছিল।
এখানে প্রশ্ন শুধু দাম বেশি কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো—আমরা কি বাজারকে আগে থেকে বুঝে ক্রয় করছি, নাকি সংকট তৈরি হওয়ার পর বাজারের কাছে গিয়ে দাম মেনে নিচ্ছি?
মন্ত্রী বা সচিবের ব্যক্তিগত বাজার-অভিজ্ঞতার ওপর জ্বালানি পরিকল্পনা নির্ভর করা উচিত নয়। ফুয়েল প্ল্যান তৈরি হতে হবে প্রকৌশল, অর্থনীতি, চাহিদা, বাজার ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের সমন্বিত মডেলের ভিত্তিতে।
এর জন্য প্রথম প্রয়োজন নির্ভুল লোড ফোরকাস্টিং।
সাবস্টেশন, বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের পাশাপাশি শিল্প ও বণিক সমিতি, ইপিজেড, বেজা, বেপজা, হাই-টেক পার্কসহ শিল্পায়নের নতুন কেন্দ্রগুলোর সম্ভাব্য চাহিদাকেও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে।
একটি উদাহরণ দিই। এবছর আমাদের লোড ফোরকাস্ট ছিল ১২.৪ শতাংশ; বাস্তব লোড বেড়েছে ১৭ শতাংশের বেশি—এমন হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। আবার পূর্বাভাসের মধ্যেও বড় অংশের সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে একদিকে প্রকৃত চাহিদার বৃদ্ধি ছিল, অন্যদিকে সরবরাহ ঘাটতি ও লোডশেডিংও ছিল।
অর্থাৎ শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কত গ্যাস লাগবে, সেই হিসাব যথেষ্ট নয়। কোথায়, কখন, কত বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে—তার ওপর ভিত্তি করে গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েল ও অন্যান্য জ্বালানির সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে।
২. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া স্পট মার্কেট বিপজ্জনক
নিখুঁত লোড ফোরকাস্টের ভিত্তিতে ফুয়েল মিক্স পরিকল্পনা করতে হবে। সেই পরিকল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ক্রয়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ভিত্তি ইতোমধ্যে আছে। QatarEnergy, OQ Trading এবং Excelerate Energy-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি রয়েছে। ২০২৬ সালে নতুন চুক্তিগুলোর আওতায় সরবরাহ শুরু হওয়ার কথাও ছিল।
সমস্যা হলো—দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকলেও সরবরাহের ঝুঁকি রয়েছে। কাতারের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ভূরাজনৈতিক সংকট সেটিই দেখিয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি বিকল্প সরবরাহকারী ও বিকল্প সরবরাহপথও তৈরি রাখতে হবে।
সত্যি বলতে লজ্জার কিছু নেই—আমাদের আন্তর্জাতিক এনার্জি মার্কেট, ট্রেডিং ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্টিজের ঘাটতি আছে।
৩. সরাসরি উৎস ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সম্পর্ক দরকার
স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে তৃতীয় পক্ষের ট্রেডিং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে মূল উৎপাদক ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মার্কেটারদের সঙ্গে সরাসরি সরবরাহ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
Shell, TotalEnergies, QatarEnergy-এর মতো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রেডিং হাউসগুলোর সঙ্গেও প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক রাখতে হবে। তবে ‘উৎপাদক’ ও ‘ট্রেডিং কোম্পানি’কে এক করে দেখা যাবে না—চুক্তির ধরন, মূল্য কাঠামো, সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং ঝুঁকি আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।
একাধিক নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ উৎস প্রয়োজন, যেখান থেকে জরুরি পরিস্থিতিতে সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো সম্ভব হবে।
কারও সঙ্গে নিয়মিত ক্রয়সম্পর্ক না থাকলে সংকটের মুহূর্তে তার কাছ থেকে জ্বালানি পাওয়ার নিশ্চয়তাও থাকে না।
৪. সংকটের পরে নয়, সংকটের আগেই ক্রয়
নির্ভুল ফুয়েল প্ল্যান না থাকায় আমরা প্রায়ই সংকট তৈরি হওয়ার পর ক্রাঞ্চ টাইমে তাৎক্ষণিক বাজার ক্রয়ের ওপর নির্ভর করি। তখন বাজারও জানে যে ক্রেতার হাতে সময় কম।
ফলে দর-কষাকষির ক্ষমতা কমে এবং দাম বেড়ে যায়।
একটি ভারসাম্যপূর্ণ ক্রয় পোর্টফোলিও দরকার। সেখানে এক, দুই, তিন বা পাঁচ বছর মেয়াদি নির্ধারিত বা সূত্রভিত্তিক মূল্য চুক্তি থাকবে। পাশাপাশি এপ্রিল-আগস্টের দীর্ঘ পিক-ডিমান্ড সময়ের জন্য দেশীয় ও বৈদেশিক সরবরাহের নিশ্চয়তা আগেই ঠিক করতে হবে।
স্পট ক্রয় থাকবে, কিন্তু সেটি হবে পরিকল্পিত ও সীমিত।
বড় সংকট, দুর্যোগ, সরবরাহ বিচ্ছিন্নতা বা আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু সুশৃঙ্খল স্পট ক্রয় রাখা যেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সামার উইন্ডোকে যদি ধারাবাহিক স্পট ক্রয়ের ওপর নির্ভর করে চালাতে হয়, তাহলে সেটি কোনো টেকসই জ্বালানি কৌশল নয়।
বাংলাদেশের ২০২৬ সালের অভিজ্ঞতা তার প্রমাণ। কাতারের সরবরাহ কমে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে স্পট বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি যেতে হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর বাংলাদেশকে বিকল্প উৎস থেকে স্পট কার্গো সংগ্রহ বাড়াতে হয়েছিল।
৫. জ্বালানি কেনায় আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জরুরি
মূল্য অস্থিরতার সময় বাজারের ঝুঁকিকে পেশাদার আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।
Petrobangla ও BPC-এর মূল্য নির্ধারণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণ টিমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা জরুরি। Henry Hub futures, Brent-linked derivatives, LNG price swaps কিংবা অন্যান্য OTC ব্যবস্থার ব্যবহার সম্পর্কে দক্ষতা তৈরি করতে হবে।
এখানে একটি বাস্তব সমস্যা হলো—সরকারি সচিব বা মন্ত্রী পদগুলো ঘূর্ণায়মান। একজন মন্ত্রীর বা সচিবের ব্যক্তিগত বাজার-অভিজ্ঞতার ওপর এই দক্ষতা তৈরি করা যায় না।
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা তৈরি করতে হবে।
অর্থাৎ একটি পেশাদার এনার্জি ট্রেডিং, মার্কেট অ্যানালিটিক্স ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম দরকার, যারা সরকার পরিবর্তন বা কর্মকর্তা বদল হলেও কাজ চালিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের এনার্জি প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় ঘাটতি হয়তো অর্থের নয়—দক্ষতার।
৬. ‘অ্যাড-হক’ ক্রয় থেকে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায় যেতে হবে
আমাদের ক্রয় ব্যবস্থা এখনো অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনের সময় ক্রয় করার দিকে ঝুঁকে আছে। আধুনিক এনার্জি মার্কেটে এটি যথেষ্ট নয়।
প্রথমে চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ফুয়েল মিক্স। এরপর সরবরাহ নিরাপত্তা। এরপর দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি চুক্তি। এরপর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। সবশেষে অবশিষ্ট ঘাটতি পূরণের জন্য স্পট মার্কেট।
এই ক্রমটাই হওয়া উচিত।
স্পট মার্কেটকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই। বরং সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে হবে। বাজার যখন কম দামে থাকে, তখন ভবিষ্যৎ ডেলিভারির জন্য স্পট কার্গো ব্লক বা মূল্য সুরক্ষার সুযোগ নিতে হবে—যদি চুক্তি, বাজারের তারল্য ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো তা সমর্থন করে।
এজন্যই ডিমান্ড ফোরকাস্ট, ফুয়েল প্ল্যান ও প্রকিউরমেন্টকে একই ব্যবস্থাপনা কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
শেষ কথা
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন শুধু কত গ্যাস আছে, কত বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে বা কত কার্গো কেনা যাবে—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই।
প্রশ্ন হলো, আমরা কতটা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কিনছি।
২০২৬ সালের বাজার অস্থিরতা দেখিয়ে দিয়েছে, একক সরবরাহ উৎস, একক সরবরাহপথ কিংবা সংকটের সময় স্পট বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
বাংলাদেশকে তাই একটি পেশাদার Energy Procurement & Trading Architecture তৈরি করতে হবে।
দরকার আন্তর্জাতিক মানের এনার্জি মার্কেট এক্সপার্ট, ট্রেড নেগোশিয়েটর, ডিমান্ড ফোরকাস্টার, কমোডিটি রিস্ক ম্যানেজার এবং আর্থিক বাজার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্থায়ী টিম।
আমাদের অ্যাড-হক ক্রয় কমাতে হবে। অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগী নির্ভরতা কমাতে হবে। সরাসরি ও বহুমুখী সরবরাহ সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি চুক্তির সঙ্গে পরিকল্পিত স্পট ক্রয় রাখতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অনুমানের বদলে প্রকৌশল, অর্থনীতি, ডেটা ও বাজার-ঝুঁকির সমীকরণে আনতে হবে।
বাংলাদেশের ১১৫টি কার্গো কেনা শুধু ১১৫টি আলাদা ক্রয় নয়। এটি একটি জাতীয় Energy Portfolio।
সেই পোর্টফোলিও যদি পেশাদারভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য অপচয় কমানো সম্ভব। আর যদি না যায়, তাহলে বাজার যতই বদলাক, আমরা বারবার একই জায়গায় ফিরে আসব—সংকটের পরে বাজারে গিয়ে বেশি দামে জ্বালানি কেনা।
লেখক || অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; প্রকৌশলী ও লেখক
সম্পাদকীয় নোট || প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব এবং তা ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় অবস্থানকে অপরিহার্যভাবে প্রতিফলিত করে না। মতপ্রকাশের বৈচিত্রময়তাকে সমুন্নত রাখতে কোনো সম্পাদকীয় সেন্সরশিপ ছাড়াই টেক-থট প্রকাশ করা হয়।





