ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বৈচিত্র্যময় ক্যাম্পেইনে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধিতে নগদের সাফল্য

হেডিং: নগদে রেমিট্যান্স গ্রহণ করে স্বর্ণের হার জিতলেন উমর ফারুক

  • নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনে চতুর্থ বিজয়ী পোশাক শ্রমিক উমর ফারুক
  • মালয়েশিয়া থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রহণ করে পুরস্কার জয়
  • আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে প্রযুক্তিভিত্তিক এই সুযোগ

হেডিং: নগদে রেমিট্যান্স গ্রহণ করে স্বর্ণের হার জিতলেন উমর ফারুক
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০৩  

ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদের প্রযুক্তিভিত্তিক রেমিট্যান্স সেবা ব্যবহার করে উপহার হিসেবে স্বর্ণের হার জিতে নিয়েছেন গাজীপুরের এক পোশাক শ্রমিক। ফিনটেক সেবার মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে গ্রহণ উৎসাহিত করতে চালু হওয়া ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের চতুর্থ বিজয়ী হিসেবে তিনি এই উপহার পান।

২৭ জুলাই, সোমবার ঢাকার টঙ্গীর এক তৈরি পোশাক কারখানায় বিজয়ী উমর ফারুকের হাতে এই উপহার তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। মালয়েশিয়ায় কর্মরত ছোট ভাই তারিফ মিয়ার পাঠানো রেমিট্যান্স নগদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন।

বৈধ চ্যানেলে ডিজিটাল উপায়ে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আনাকে উৎসাহিত করতে গত ১৫ মে ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া ক্যাম্পেইনটি চলবে আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। শর্ত অনুযায়ী, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স গ্রহণ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকরা উপহার জেতার সুযোগ পান।

বিজয়ী উমর ফারুক বলেন, "মালয়েশিয়া থেকে আমার ভাই নিয়মিত টাকা পাঠায়। নগদের মতো আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমে খুব সহজেই সেই রেমিট্যান্স হাতে পাই। কিন্তু রেমিট্যান্সের টাকার সঙ্গে যে সোনার হার উপহার পাব, তা একদম কল্পনার বাইরে ছিল।"

নগদের হেড অব মার্কেটিং এইচ ইউ এম মেহেদী সাজ্জাদ বলেন, "প্রবাসী ভাই-বোনেরা আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ ডিজিটাল ও বৈধ পথে দেশে এসে অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তি দেয়। ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্যই হলো তাঁদের অবদানকে সম্মান জানানো এবং ঘরে বসেই নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক টাকা পৌঁছানো নিশ্চিত করা।"

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজ ও নিরাপদ উপায়ে রেমিট্যান্স বিতরণ ও বৈধ চ্যানেল জোরদারে তাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
//ডিবিটেক/ এমএইচএন/এসএমই//