জাতীয় উন্নয়নে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সিপিএফ চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ 

জাতীয় উন্নয়নে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সিপিএফ চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ 
২১ মার্চ, ২০২৬ ০৬:১২  

পারমাণবিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (পারমাণবিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে)-এর সঙ্গে ২০২৬–২০৩২ মেয়াদের জন্য পঞ্চম কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। 

সরকারের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং আইএইএ-এর পক্ষে সংস্থাটির উপ-মহাপরিচালক ও কারিগরি সহযোগিতা বিভাগের প্রধান হুয়া লিউ চুক্তিতে সই করেন।অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় গত ১৮ মার্চ,বুধবার এ ফ্রেমওয়ার্ক  স্বাক্ষরিত হয়।

২১ মার্চ, শনিবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ তানভীর মিয়া জানান,  কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স কাঠামো, যার মাধ্যমে কোনো সদস্য রাষ্ট্র এবং আইএইএ-এর মধ্যে মধ্যমেয়াদি কারিগরি সহযোগিতার পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। এই কাঠামোর আওতায় অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন খাত চিহ্নিত করা হয়, যেখানে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা প্রদান করা হবে।

কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, সিপিএফ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার আরও সম্প্রসারিত হবে এবং বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে টেকসই অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ১৯৭২ সাল থেকে আইএইএ-এর সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করছে। নবস্বাক্ষরিত ২০২৬–২০৩২ মেয়াদের সিপিএফ-এ সাতটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে—
পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক সুরক্ষা, জ্বালানি, খাদ্য ও কৃষি, মানব স্বাস্থ্য, পানি ও পরিবেশ, পারমাণবিক জ্ঞান উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং শিল্পক্ষেত্রে বিকিরণ প্রযুক্তির প্রয়োগ।
ডিবিটেক/এমটিএম/এমইউএম