শিক্ষায় বড় টেকনিক্যাল রি-ফর্ম করতে রোজার পরে রোডম্যাপ
কর্মমুখী দক্ষতা গড়ে তুলতে টেকনিক্যাল বা কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বড় টেকনিক্যাল রি-ফর্ম করার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এজন্য ঈদুল ফিতরের পর এ কাজের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি ।
১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান তারা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করা, জাতীয় কারিকুলাম পুনর্বিবেচনা এবং কারিগরি শিক্ষায় জোর শিক্ষাখাতের এই তিন অগ্রাধিকার ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী।
সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার নির্ধারণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রথমত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করা এবং শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয়ত, বিদ্যমান কারিকুলাম পর্যালোচনা (রিভিউ) করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। তৃতীয়ত, কর্মমুখী দক্ষতা গড়ে তুলতে টেকনিক্যাল বা কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “দুর্নীতি হবে না, হতে পারে না- আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি।"
”শিক্ষাখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে" বলেও জানান মন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ বলেন, আজ আমরা দিক-নির্দেশনা দিলাম। বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপের টাইমলাইন ধরে এগোবো। প্রথম ধাপ হবে এখন থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। এ ধাপে ‘বাজেট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ডায়াগনস্টিক রিভিউ’; ‘উন্নয়ন বাজেটের ৫৩ শতাংশ ফেরত যাওয়ার কারণভিত্তিক রুট-কজ অ্যানালাইসিস’ এবং ‘শিক্ষকদের ট্যাব দেওয়া, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ভাষা শিক্ষার পাইলট ডিজাইন’ করা হবে।
দ্বিতীয় ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে ঈদুল ফিতরের পর। ববি হাজ্জাজ বলেন, দ্বিতীয় ধাপে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মতি নিয়ে জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা করবো। সেটা মন্ত্রণালয় ভিত্তিক, বিভাগভিত্তিক ও পরিমাপযোগ্য সূচকসহ।
তৃতীয় ধাপে হবে ১২ থেকে ৩৬ মাসের; অর্থাৎ এক বছর থেকে তিন বছর। এ ধাপের কাজের বর্ণনা তুলে ধরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় ধাপে আমরা পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বড় টেকনিক্যাল রি-ফর্ম করবো। কারিগরি, সাধারণ এবং মাদরাসা শিক্ষায় ব্রিজিং (সেতুবন্ধ) করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও ইনোভেশন গ্র্যান্ট স্কেল আপ করা হবে।
ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে







