ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধে বিএনপির উদ্বেগ
ভোটকেন্দ্রের আশপাশে ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির দাবি, এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ নষ্ট করবে এবং ভোটার উপস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মাহ্দী আমিন বলেন, দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, জরিপ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা প্রমাণ করে বিএনপি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ধানের শীষের নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত।
তিনি বিএনপির ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বিএনপির সরকারের অবদান উল্লেখ করে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নারীবিষয়ক বক্তব্যের সমালোচনা করেন।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, সন্দেহজনক ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে, এনআইডি কার্ড, হজ, ওমরাহ, পাসপোর্ট বা ভিসার ছবি তোলার মতো করেই, মুখমণ্ডলের যে অংশটুকু অনাবৃত রেখে ছবি তুলতে হয়, ভোটার তালিকা অনুযায়ী নারী প্রিসাইডিং বা সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও নারী চ্যালেঞ্জকারী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে ভোট প্রদানের আগে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একজন অভিনেতা অভিযোগ করেছেন, একটি সামাজিক অভিযোগ গ্রহণকারী অ্যাপের বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের কথা বলে তাকে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে তিনি নিজেকে প্রতারিত মনে করছেন, যা রাজনৈতিকভাবে বিব্রতকর।’
নির্বাচনি পর্যবেক্ষক নিয়োগে অনভিজ্ঞ ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুমোদন এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মাহ্দী আমিন। তিনি সবার প্রতি অপপ্রচার এড়িয়ে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান।
ডিবিটেক/বিএলএন/ইকে







