২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস
এবারের তথ্য দিবসে প্রাধান্য পাচ্ছে পরিবেশ ও ডিজিটাল মাধ্যম
‘পরিবেশ রক্ষায় ডিজিটাল যুগে তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণ’ প্রতিপাদ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস’। তথ্য অধিকার সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় ইউনেস্কো স্বীকৃত দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার।
প্রধান অনুষ্ঠানের মধ্যে বিকেল ৩টায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে তথ্য কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।
তথ্য কমিশনের সচিব নূর মো. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
সূত্রমতে, কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার পাশাপাশিবং জেলা পর্যায়ে পৃথক পৃথক আলোচনা সভা হবে। এ ছাড়া দিবসটির প্রতিপাদ্য অনুসরণ করে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে প্রচার, জনগণের তথ্য অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন ডকুমেন্টারি ডিজিটাল স্ক্রল ও ডিজিটাল এডভারটাইজিং বোর্ডে প্রচার, ওয়েবসাইটে দিবস উদযাপনের ফেস্টুন প্রচার ইত্যাদি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
এবারের প্রতিপাদ্য অনুযায়ী, প্রযুক্তির এই যুগে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তথ্যের প্রাপ্যতা এবং স্বচ্ছতা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, বনাঞ্চল ধ্বংস, নদী দূষণ, বায়ু মান এবং বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতা গড়ে তোলার বিষয়টি নতুন করে নাড়া দেবে এই দিবসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানের ডিজিটাল যুগে তথ্য অধিকারের কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইন্টারনেট, মোবাইল অ্যাপস, ডিজিটাল ডেটা প্ল্যাটফর্ম— এই প্রযুক্তি নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার ক্ষমতা বাড়িয়েছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিকরা সহজেই সরকারী তথ্য, পরিবেশ সংক্রান্ত ডেটা, প্রকল্প রিপোর্ট এবং নীতি সংক্রান্ত তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে। তাই ডিজিটাল মানচিত্র ব্যবহার করে বনাঞ্চল, নদী বা সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের দূষণ পর্যবেক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ু মান এবং পানির মান সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহে নাগরিকদের জাতীয় পর্যায়ে ওপেন ডেটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন পোর্টালের শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। একইসঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল টুলস তৈরি করা যেতে পারে।







