উইন-উইন সমাধানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শুল্ক চুক্তিতে আগ্রহী ঢাকা

উইন-উইন সমাধানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শুল্ক চুক্তিতে আগ্রহী ঢাকা
৮ জুলাই, ২০২৫ ১১:১৫  
৮ জুলাই, ২০২৫ ১২:১৫  

বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া চিঠিতে এমনটি জানিয়েছেন।

৭ জুলাই, সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চিঠিটি প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চূড়ান্ত শুল্কের পরিমাণ জানিয়ে মোট ১৪টি দেশের নেতাদের উদ্দেশ্যে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।
এরপর ৮ জুলাই, মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ঢাকা ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি শুল্ক-চুক্তি করতে আগ্রহী, যা দুই দেশের জন্যই একটি উইন-উইন  (উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক) সমাধান হবে। 

শুল্ক নিয়ে আলোচনা এখনো চলমান আছে উল্লেখ করে পোস্টে শফিকুল আলম লিখেছেন, বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানও এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন। বাংলাদেশ গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি পেয়েছে,  যেখানে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

তিনি আরো লিখেছেন, বাংলাদেশ দল মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছে। ৯ জুলাই আরেক দফা আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় বাংলাদেশ পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন শেখ বশিরউদ্দিন। ঢাকা ওয়াশিংটন ডিসির সঙ্গে একটি শুল্ক চুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যা উভয় দেশের জন্য লাভজনক হবে বলে আমরা আশা করি।

এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করা চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেন, ‌‌‌‘২০২৫ সালের ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো যে কোনো বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক নেবো। উচ্চ শুল্ক এড়াতে কোনো পণ্য তৃতীয় দেশ হয়ে পাঠালে সেই পণ্যে আরও বেশি শুল্ক বসবে। তবে, বাংলাদেশ বা আপনার দেশের কোম্পানিগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেই পণ্য তৈরি বা উৎপাদন করার সিদ্ধান্ত নেয়- তাহলে কোনো শুল্ক থাকবে না।’ 

বাংলাদেশ যদি এই শুল্কের বিরুদ্ধে পাল্টা কোনো ব্যবস্থা নেয় তাহলে শুল্ক আরও বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। চিঠিতে তিনি আরো লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ যদি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেই বাড়তি হারও যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে যোগ হবে।’

০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/এনটি