ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিল নগদ

ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিল নগদ
২৪ মার্চ, ২০২৬ ১০:০৯  
২৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫১  

ডাক বিভাগকে রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা প্রদান করেছে নগদ লিমিটেড। এই অর্থ ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে অর্জিত রেভিনিউ থেকে দেওয়া হয়। 

২৪ মার্চ, মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও ডাক ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের হাতে চেক হস্তান্তর করেন।

নগদ লিমিটেড ডাক বিভাগকে রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা প্রদান করেছে। এই অর্থ ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে অর্জিত রেভিনিউ থেকে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও ডাক ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের হাতে চেক হস্তান্তর করেন।

জানাগেছে, চুক্তি অনুযায়ী, সেবার জন্য বিনিয়োগ করবে নগদ লিমিটেড, আর রেভিনিউর ৫১ শতাংশ পাবে ডাক বিভাগ এবং ৪৯ শতাংশ পাবে নগদ। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা দিয়েছে নগদ।

অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, নগদ ক্যাশলেস লেনদেনে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে গ্রাহককে উৎসাহিত করছে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বছরে এখান থেকে একশ কোটি টাকা রাজস্ব আসবে।

নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ জানান, প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করছে নগদ। বর্তমানে দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। শিক্ষা উপবৃত্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণসহ সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড ও ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণেও অংশ নেবে নগদ।

চুক্তি অনুযায়ী, সেবার জন্য বিনিয়োগ করবে নগদ লিমিটেড, আর রেভিনিউর ৫১ শতাংশ পাবে ডাক বিভাগ এবং ৪৯ শতাংশ পাবে নগদ। এর আগে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা দিয়েছে নগদ।

অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, নগদ ক্যাশলেস লেনদেনে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে গ্রাহককে উৎসাহিত করছে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বছরে এখান থেকে একশ কোটি টাকা রাজস্ব আসবে।

নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ জানান, প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করছে নগদ। বর্তমানে দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। শিক্ষা উপবৃত্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণসহ সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড ও ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণেও অংশ নেবে নগদ।

ডিবিটেক/এসএম/ইকে