১০ দেশে চালু ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’
পবিত্র হজ পালনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় প্রযুক্তিগত ও প্রকৌশলগত প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছে সৌদি ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্তৃপক্ষ (এসডিএআইএ)। এ উপলক্ষে ১৫ মে, শুক্রবার এক ভার্চুয়াল সভায় এই প্রস্তুতি মূল্যায়ন করেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট ড. আবদুল্লাহ আল-গামদি।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) ও আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি ভিশন ২০৩০-এর আওতায় পরিচালিত ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’ এ বছর অষ্টম বছরে পদার্পণ করেছে। বর্তমানে বিশ্বের ১০টি দেশের ১৭টি আন্তর্জাতিক টার্মিনালে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নতুন করে সেনেগাল ও ব্রুনেই এ উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মরক্কো, মালদ্বীপ, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল ও ব্রুনেই। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হজযাত্রীরা নিজ দেশেই ইমিগ্রেশন, বায়োমেট্রিক নিবন্ধন, স্বাস্থ্য যাচাই এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছেন। ফলে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর দীর্ঘ অপেক্ষা ছাড়াই সরাসরি মক্কা বা মদিনায় গন্তব্যে যেতে সুবিধা হচ্ছে।
ভার্চুয়াল বৈঠকে ড. আল-গামদি হাজিদের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত ডিজিটাল অবকাঠামো, সমন্বিত সিস্টেম ও ওয়ার্কস্টেশনগুলোর সক্ষমতা যাচাই করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের কারিগরি দল তাদের মনিটরিং ব্যবস্থা, প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রোটোকল এবং দ্রুত নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার প্রস্তুতি তুলে ধরে।
এসডিএআইএ জানায়, আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে হাজিদের যাত্রাপথকে আরও আরামদায়ক ও ঝামেলামুক্ত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে বিমানবন্দরে দ্রুত তথ্য যাচাই, বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ এবং লাগেজ ব্যবস্থাপনায় উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
২০১৭ সালে চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি হজযাত্রী ‘মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ’-এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ডিবিটেক/এসআই/এমআই



