সভাপতি-সেক্রেটারিসহ শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের ২০ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মীকে আজীবন এবং ১৭ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) প্রশাসন। ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান।
বহিস্কার বিষয়ে প্রক্টর জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ১২ জন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ৮ জন শিক্ষার্থীকে রুমে অস্ত্র রাখার ঘটনায় আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও অপরাধে জড়িত ১৭ জন শিক্ষার্থীকে ২ থেকে ৪ সেমিস্টার মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ১৯ জন শিক্ষার্থীর নামে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া তাদেরকে নিষ্পত্তি দেওয়া হয়েছে।
তবে তিনি এদের নাম প্রকাশ না করলেও সূত্রমতে, আজীবন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান।
এ ছাড়া নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইলিয়াস সানি ও ফারহান হোসাইন চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তারেক হাসান, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিমুল মিয়া, পরিসংখ্যান বিভাগের হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলা বিভাগের ইউসুফ হুসাইন টিটু, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মোলিকুলার বায়োলজি বিভাগের লোকমান হোসাইন, পদার্থবিজ্ঞানবিভাগের সৈয়দ মাজ জোয়ার্দি ও একই বিভাগের সেইম খাঁ ও পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মুজাহিদুল ইসলাম সাইমন। আজীবন বহিষ্কৃতরা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
এদিকে আবাসিক হলে অস্ত্র ও মাদকের অভিযোগে সাত শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মামুন মিয়া, পরিসংখ্যান বিভাগের অমিত সাহা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের তরিকুল ইসলাম, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের আশিকুর রহমান আশিক, পরিসংখ্যান বিভাগের মাহবুবুর রহমান, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের মারবিন ডলি রিকি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শান্ত তারা আদনান।







