মেডিটেশন ফিচার যুক্ত করলো টিকটক

মেডিটেশন ফিচার  যুক্ত করলো টিকটক
২৬ মে, ২০২৫ ১৭:৫৭  
২৬ মে, ২০২৫ ২০:৫৮  

ডিজিটাল সুস্থতার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে টিকটক চালু করেছে গাইডেড মেডিটেশন ফিচার।  ফিচারটি ২.৩ মিলিয়ন ডলারের গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ এডুকেশন ফান্ডের সঙ্গে চালু করা হয়েছে। ফিচারটি টিকটক ব্যবহারকারীদের ভাল ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদী টিকটক কর্তৃপক্ষ। 

নতুন ফিচার বিষয়ে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিকটকের নতুন মেডিটেশন ফিচারটি অ্যাপটির পূর্ববর্তী “স্লিপ আওয়ারস" ফিচারের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন ঘুমের মান উন্নয়নে সাহায্য করে। এজন্য শুরু থেকেই টিকটক মেডিটেশন ফিচারটি সব বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করেছে। ১৮ বছরের নিচে বয়সীদের জন্য এই ফিচারটি ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। রাত ১০টার পর, তাদের “ফর ইউ” ফিডটি সাময়িকভাবে একটি গাইডেড মেডিটেশন প্রম্পটে প্রতিস্থাপিত হবে। যদি তারা ব্রাউজিং চালিয়ে যায়, একটি দ্বিতীয় স্ক্রীন দৃশ্যমান হবে, যা স্বাস্থ্যকর স্ক্রীন টাইম অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। টিকটক এর অভ্যন্তরীণ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৯৮% কিশোর-কিশোরী এই মেডিটেশন ফিচারটি চালু রেখেছে।

প্রাপ্তবয়স্করা তাদের স্ক্রীন টাইম সেটিংস থেকে এই ফিচারটি ম্যানুয়ালি চালু করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট মেডিটেশন করার পরামর্শ দেন, যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। জ্যামা ইন্টারনাল মেডিসিন এবং হার্ভার্ড হেল্‌থ-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে ১০–১৫ মিনিট মেডিটেশন করলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।  

এদিকে বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও এগিয়ে নিতে, টিকটক ২২টি দেশের ৩১টি মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠনকে ২.৩ মিলিয়ন ডলারের বিজ্ঞাপন ক্রেডিট প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। এই উদ্যোগটি ২০২৫ সালের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিলের অংশ, যা তাদের সহযোগীদের বিশ্বাসযোগ্য এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে এবং টিকটক-নেতৃত্বাধীন প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে তাদের পৌঁছানোর পরিধি বৃদ্ধি করবে।

 এ বিষয়ে টিকটকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ট্রাস্ট এন্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম বলেন, "বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নেপালের মতো দেশে, একসময় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা ছিল ট্যাবু তবে এখন এটি মুক্তভাবে আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা একটি ইতিবাচক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দেখছি এবং ইন-অ্যাপ টুলস ও পাবলিক অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পেরে আমরা গর্বিত।”